বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • ফুল সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে ইমামের রাজকীয় বিদায়

    ফুল সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে ইমামের রাজকীয় বিদায়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নাটোরের লালপুরে ৪০ বছর ইমামতি শেষে মসজিদের ইমামকে রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ফুল সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে করে তাকে তার বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়, এবং এ সময় গ্রামের নারী-পুরুষরা আবেগে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বাদ জুম্মা উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের গোসাইপুর-মিল্কিপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম জিল্লুর রহমান (৭০) এর সম্মানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদায় সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়। জিল্লুর রহমান উপজেলার আড়বাব গ্রামের সোবহান মোল্লার ছেলে। এলাকাবাসী জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি নিজেই স্বেচ্ছায় ইমামের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, এবং তার সম্মানে তাকে এই বিদায় দেওয়া হয়। 

    এদিন বিকালে তাকে ঘোড়ার গাড়িতে করে রাজকীয়ভাবে বিদায় দেওয়া হয়। এলাকাবাসী, মুরব্বি ও সর্বস্তরের মানুষ একসাথে তাকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে এবং পেছনে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে তার বাড়ি আড়বাব গ্রামে পৌঁছে দেন।  

    মসজিদ কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, "জিল্লুর রহমান দীর্ঘ ৪০ বছর আমাদের মসজিদে ইমামতি ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন তিনি বার্ধক্যে পৌঁছেছেন। তিনি আমাদের অভিভাবক ছিলেন, গ্রামের মানুষ তার পরামর্শ নিয়ে কাজ করতেন, তাই তাকে বিদায় দেওয়ার সময় আমরা তাকে রাজকীয় সম্মান জানাতে চেয়েছি।"

    ইমাম জিল্লুর রহমান আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, "আমি সারাজীবন দ্বীনের সেবায় কাটিয়েছি এবং এই এলাকার মানুষকে কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করার চেষ্টা করেছি। আমি এখন অনেক বয়স্ক হয়ে গেছি, যে কোনো সময় আপনাদের ছেড়ে পরকালে চলে যেতে হবে, তাই সবাই আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। মানুষ আমাকে এত ভালোবাসে, আগে বুঝতে পারিনি। আল্লাহ পাক আমাকে এই সম্মান দিয়েছেন, তার দরবারে হাজারো শুকরিয়া। আমি সত্যিই মুগ্ধ এবং কৃতজ্ঞ।"


    নতুন/কাগজ/ইউসুফ/নাটোর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন