বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • গাজীপুরের পাঁচ খুনে বেরিয়ে আসছে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য

    গাজীপুরের পাঁচ খুনে বেরিয়ে আসছে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় স্ত্রী, তিন কন্যা সন্তান এবং শ্যালককে গলা কেটে হত্যা করার পর ট্রাকচালক মো. ফোরকান মিয়া (৪০) পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর তিনি এক আত্মীয়কে ফোন করে হত্যার বিষয়টি স্বীকারও করেন বলে জানা গেছে।

    শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। পরে শনিবার (৯ মে) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৪০), তাদের তিন কন্যা মিম (১৬), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল (২২)। শারমিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকান্দি গ্রামের মো. শাহাদাত মোল্লার মেয়ে এবং ফোরকান একই জেলার মেরি গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত চার মাস ধরে ফোরকান পরিবার নিয়ে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার পরপরই বাড়ির ভেতরে ভয়াবহ দৃশ্যের চিহ্ন পাওয়া যায়। শারমিনের মরদেহ জানালার গ্রিলের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়, অন্য চারজনকে বিছানায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

    ঘটনাস্থল থেকে আরও কিছু প্রিন্ট করা কাগজ উদ্ধার করা হয়েছে, যা কোনো মামলার নথি হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মাদক সেবনের কিছু আলামতও জব্দ করেছে পুলিশ।

    নিহত শারমিনের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করা হতো। তাদের ধারণা, মাদকাসক্ত অবস্থায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, পারিবারিক কলহ দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল।

    প্রতিবেশীরা জানান, ঘটনার আগের দিনও পরিবারটি স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। হত্যার পর ফোরকান এক আত্মীয়কে ফোন করে পুরো ঘটনা জানান, এরপরই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

    গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, প্রাথমিক তদন্তে ফোরকানের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে একাধিক সংস্থা।

    এদিকে ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে। বাড়িটিকে ঘিরে রাখা হয়েছে পুলিশের নিরাপত্তা বলয়, ফরেনসিক টিমও আলামত সংগ্রহ করছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ