বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সতর্কতা

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সতর্কতা
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কয়েক দিনের টানা বর্ষণের পর বুধবার সকালে চট্টগ্রামের আকাশে কিছুটা স্বস্তির আভাস মিললেও সেই বিরতি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই আবার আকাশে মেঘের আনাগোনা বেড়েছে। হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি কালো মেঘে ঢেকে যাচ্ছে আকাশ। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আজ থেকেই আবারও বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে।

    চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন জুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় এবং মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আজ থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সমুদ্রে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও একই ধরনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণও হতে পারে। আগামী পাঁচ দিন এই বৃষ্টিপাতের ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    গত সপ্তাহের টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকায় পাহাড়ঘেঁষা এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল জেলা প্রশাসন।

    এরপর ৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায় এবং বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে দুর্ভোগে পড়েন। যদিও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বন্যার পানি ধীরে ধীরে নেমে যেতে শুরু করেছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে এক-দুই দিনের বিরতির পর আবারও বৃষ্টিপাত শুরু হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। তবে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এবারও কয়েক দিন বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তাই পাহাড়ি ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ