বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • পর্ন কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেপ্তার

    পর্ন কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার  সুমাইয়া গ্রেপ্তার
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    একই ঘটনায় তাঁর প্রধান সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

    ডিবি জানায়, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থেকেও তাতে সম্মতি এবং তাঁর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

    ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ও ছবি তৈরি করে সেগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেলে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করছিল। এ কাজে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণে বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হতো।

    প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে ডিবি। পরে গত ১১ আগস্ট বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

    ডিবি জানায়, সুমাইয়াকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ও ছবি তৈরির সঙ্গে জড়িত এক সহযোগীর তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাতে বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকেও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

    জব্দ করা ডিভাইসের প্রাথমিক বিশ্লেষণ এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি ও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

    তদন্তে এ কার্যক্রমের সঙ্গে আরও কয়েকজনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাঁদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

    এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলো ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগতভাবে পরীক্ষা করা হবে।

    পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট, আর্থিক লেনদেন এবং এ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

    ডিসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার, বিজ্ঞাপন, বিক্রি কিংবা এ ধরনের অপরাধে সহযোগিতার বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

    তিনি নাগরিকদের ব্যক্তিগত বা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া ধারণ, সংরক্ষণ, প্রচার বা অনলাইনে ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের অপরাধের তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ