বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • ব্রেকআপের পর মানসিক শান্তির জন্য যে ৫টি কাজ এড়িয়ে চলবেন

    ব্রেকআপের পর মানসিক শান্তির জন্য যে ৫টি কাজ এড়িয়ে চলবেন
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিচ্ছেদের পর মন খারাপ, একাকিত্ব কিংবা ক্ষোভ থেকে হঠাৎ এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইচ্ছা হতে পারে, যা স্বাভাবিক সময়ে হয়তো নিতেন না। প্রাক্তনকে বারবার ফোন করা, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর রাখা, দ্রুত নতুন সম্পর্কে জড়ানো কিংবা আবেগের বশে বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া—এসব পরে আরও অস্বস্তি বা অনুশোচনার কারণ হতে পারে।

    কারণ ব্রেকআপের পর শুধু একজন মানুষকে হারানোর অনুভূতিই কাজ করে না। বদলে যায় দৈনন্দিন রুটিন, নিয়মিত কথাবার্তা এবং অনেক ছোট ছোট অভ্যাসও। ফলে প্রথম কয়েক দিন বা সপ্তাহে আবেগ অনেক বেশি তীব্র থাকতে পারে। এই সময়ে নিজেকে কিছুটা সময় দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরাই ভালো। ব্রেকআপের পর তাই নিচের পাঁচটি বিষয় এড়িয়ে চলতে পারেন।

    ১. প্রাক্তনকে বারবার ফোন বা মেসেজ করবেন না

    সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর শেষবারের মতো কথা বলা, নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করা কিংবা ক্ষমা চাওয়ার তাগিদ তৈরি হতে পারে। কিন্তু আবেগ তীব্র থাকা অবস্থায় বারবার যোগাযোগ করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। কথোপকথন নতুন করে তর্ক, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা প্রত্যাশার জন্ম দিতে পারে।

    সব প্রশ্নের উত্তর প্রাক্তনের কাছ থেকেই পাওয়া যাবে—এমনটাও নয়। অনেক সময় সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য নিজের অনুভূতিকে মেনে নেওয়া এবং কিছুটা দূরত্ব তৈরি করাই বেশি সহায়ক।

    ২. প্রাক্তনের সোশ্যাল মিডিয়া অনুসরণ করবেন না

    ব্রেকআপের পর প্রাক্তনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঘাঁটাঘাঁটি করা সহজেই অভ্যাসে পরিণত হতে পারে। একটি ছবি দেখার পর তার বন্ধুদের প্রোফাইল, নতুন অনুসারী, মন্তব্য কিংবা পুরোনো পোস্ট দেখতে দেখতে অনেকটা সময় কেটে যেতে পারে।

    এ ধরনের অনুসন্ধান আপনাকে মানসিকভাবে সম্পর্কের সঙ্গে আরও বেশি যুক্ত রাখতে পারে। তাই প্রয়োজন মনে হলে কিছুদিনের জন্য তাকে আনফলো, মিউট বা ব্লক করে রাখতে পারেন। এতে নিজের প্রতি মনোযোগ ফেরানোর সুযোগ তৈরি হবে।

    ৩. একাকিত্ব কাটাতে তাড়াহুড়ো করে নতুন সম্পর্কে যাবেন না

    ব্রেকআপের পর নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়া স্বাভাবিক। তবে একা থাকার কষ্ট থেকে দ্রুত নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে সেটি আপনার বা অন্য ব্যক্তির জন্য জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

    নতুন মানুষটিকে প্রাক্তনের সঙ্গে তুলনা করা, পুরোনো সম্পর্কের শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করা কিংবা প্রাক্তনকে দেখানোর জন্য নতুন সম্পর্ক শুরু করা—কোনোটিই স্বাস্থ্যকর ভিত্তি তৈরি করে না। নতুন সম্পর্কে যাওয়ার আগে নিজের মানসিক অবস্থার দিকে খেয়াল করুন। আপনি নতুন একজন মানুষকে তার নিজের পরিচয়ে জানার মতো মানসিকভাবে প্রস্তুত কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

    ৪. আবেগের বশে বড় সিদ্ধান্ত নেবেন না

    হৃদয় ভাঙার পর মনে হতে পারে জীবনটাকেই নতুন করে সাজানো দরকার। চাকরি ছেড়ে দেওয়া, অন্য শহরে চলে যাওয়া, হঠাৎ বড় অঙ্কের টাকা খরচ করা কিংবা জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার ইচ্ছা হতে পারে।

    পরিবর্তন সবসময় খারাপ নয়। তবে তীব্র আবেগের সময় নেওয়া সিদ্ধান্ত পরে ভুল মনে হতে পারে। তাই চাকরি, অর্থ কিংবা জীবনযাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে কিছুটা সময় দিন। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পরও যদি সিদ্ধান্তটি সঠিক মনে হয়, তখন সেটি নিয়ে ভাবা যেতে পারে।

    ৫. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ করবেন না

    প্রাক্তনকে উদ্দেশ্য করে পরোক্ষ মন্তব্য, কষ্টের পোস্ট কিংবা সম্পর্কের ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ করার ইচ্ছা হতে পারে। কখনো কখনো এর পেছনে প্রাক্তনের দৃষ্টি আকর্ষণের ইচ্ছাও কাজ করে।

    কিন্তু অনলাইনে প্রকাশ করা কোনো কথা পরে মুছে ফেললেও তার প্রভাব পুরোপুরি মুছে ফেলা কঠিন। কিছু পোস্ট করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—কয়েক দিন পরও কি এটি প্রকাশ্যে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন?

    মন খারাপ হলে বিশ্বস্ত বন্ধুর সঙ্গে কথা বলা, নিজের অনুভূতি লিখে রাখা, হাঁটাহাঁটি করা বা কিছুটা একা সময় কাটানো তুলনামূলকভাবে ভালো উপায় হতে পারে। ব্রেকআপের পর সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক থাকার অভিনয় করারও প্রয়োজন নেই। নিজেকে সময় দেওয়াটাই অনেক সময় সুস্থভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ