বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • রংপুরে ৪ খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মাদক মেলেনি

    রংপুরে ৪ খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মাদক মেলেনি
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে শরীরে কোনো ধরনের মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পরীক্ষায় বিশেষ করে এমফিটামিনের অস্তিত্বও মেলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

    তিনি জানান, আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রোববার (৩০ আগস্ট) রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করা হলে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

    ডিবি সূত্র জানায়, রোববার দুপুর সোয়া ১টার দিকে ডিবি পুলিশের একটি দল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যায়। সেখানে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এ সময় রংপুর মেডিকেল কলেজের একজন ল্যাব টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী পুলিশের সঙ্গে ছিলেন।

    আসামিদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কারাগারেই নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল ডিবি। অনুমতি পাওয়ার পর মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কারাগারে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশ।

    যেভাবে সামনে আসে হত্যাকাণ্ড

    গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

    পুলিশ পরে প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে। তাদের আদালতে হাজির করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    এ ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরীর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

    হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের মাদকাসক্তি ছিল কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে ডোপ টেস্টের ফলাফলে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের শরীরে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন