বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ভলকার তুর্ক

    বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ভলকার তুর্ক
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড তদারকিতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।

    সোমবার জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এ আহ্বান জানান তিনি।

    ভলকার তুর্ক বলেন, বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজের ওপর নজরদারি করতে পারে—এমন একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আসছে জাতিসংঘ।

    বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এসব বাহিনীর কর্মকাণ্ডের স্বাধীন নজরদারির জন্য আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি তথ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে ৪৪টি সুপারিশ করা হয়।

    সুপারিশগুলোর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড তদারকিতে স্বাধীন নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক নজরদারি এবং জবাবদিহির ব্যবস্থাও নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছিল।

    জাতিসংঘের বিভিন্ন মানবাধিকার চুক্তি বাস্তবায়ন তদারককারী বিশেষজ্ঞদের নিয়েও ওই প্রতিবেদনে সুপারিশ তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের থাকা প্রয়োজন।

    এ ছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ নিশ্চিত করা এবং প্যারিস নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও যোগ্যতাভিত্তিক নিয়োগপ্রক্রিয়া চালুর কথাও বলা হয়।

    সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রণীত গুমবিরোধী আইন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত আইন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ও আইনবিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এসব আইনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা, তদন্তের ক্ষমতা ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে এখনো কিছু ঘাটতি রয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন