বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতি ও বার সভাপতির বাগবিতণ্ডা

    আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতি ও বার সভাপতির বাগবিতণ্ডা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    তথ্য গোপনের অভিযোগে এক আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করার বিষয় নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এজলাস ত্যাগ করেন।

    মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

    শুনানির একপর্যায়ে বার সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে বলেন, তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আইনজীবীদের আয় কমে গেছে। এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতি ও বার সভাপতির মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়।

    বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের বিচারপতিরা এজলাস ত্যাগ করেন।

    পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এক আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে ওই জরিমানা মওকুফের আবেদন করেছিলেন। তার ভাষ্য, জুনিয়র একজন আইনজীবীর জন্য পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনেক বেশি।

    তিনি বলেন, আগে আপিল বিভাগে একাধিক বেঞ্চে মামলা শুনানি হতো। বর্তমানে একটি বেঞ্চ থাকায় মামলা শুনানিতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশের পর দীর্ঘ সময় ধরে মামলার শুনানি করা সম্ভব হচ্ছে না।

    বার সভাপতি আরও বলেন, আপিল বিভাগে মামলার মেনশন করার সুযোগ না থাকায় কোনো মামলা কেন দীর্ঘদিন ধরে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে, সেটিও সহজে তুলে ধরার সুযোগ থাকে না। এতে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবী—উভয়েই সমস্যায় পড়ছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    ব্যারিস্টার খোকন বলেন, আইনজীবীদের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের স্বার্থের বিষয়টি প্রধান বিচারপতির সামনে তুলে ধরা তার দায়িত্ব। তিনি বিষয়টি বিনয়ের সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন এবং প্রধান বিচারপতি এভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন, তা তিনি প্রত্যাশা করেননি।

    যে মামলাকে কেন্দ্র করে জরিমানা

    নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ সংক্রান্ত একই ঘটনায় একাধিক রিট মামলা করার অভিযোগে রিটকারী মো. নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহামেদকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন আপিল বিভাগ।

    তথ্য গোপন ও প্রতারণার অভিযোগে তাদের এই জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ ৩০ দিনের মধ্যে ঢাকা শিশু হাসপাতালে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মো. নুর আলমের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মাহাবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে নিকাহ রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অনীক আর হক, সিনিয়র আইনজীবী মো. শিশির মনির ও আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন