বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • নীল জলরাশি ও নির্জনতার হাতছানি: টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে একদিন

    নীল জলরাশি ও নির্জনতার হাতছানি: টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে একদিন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের জনপদ টেকনাফ। পর্যটকদের কাছে টেকনাফ মানেই সাধারণত সেন্টমার্টিন যাওয়ার ট্রানজিট পয়েন্ট। কিন্তু এই শহরের কোল ঘেঁষেই যে এক শান্ত, স্নিগ্ধ এবং নীল জলরাশির বিশাল সমুদ্র সৈকত পড়ে আছে, তার খবর রাখেন খুব কম পর্যটকই। কক্সবাজারের উপচে পড়া ভিড় এড়িয়ে যারা একটু নির্জনতা আর প্রকৃত নীল সমুদ্র খুঁজছেন, তাদের জন্য টেকনাফ সমুদ্র সৈকত এক স্বর্গরাজ্য।

    সৈকতের রূপ ও বৈশিষ্ট্য

    টেকনাফ সৈকতের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর স্বচ্ছ নীল পানি এবং পরিচ্ছন্ন বালুচর। কক্সবাজারের তুলনায় এখানকার পানি অনেক বেশি পরিষ্কার। সৈকতের একপাশে নীল দিগন্ত আর অন্যপাশে সারি সারি ঝাউবন ও পাহাড়ের দৃশ্য এক অপূর্ব আবহ তৈরি করে। গোধূলবেলায় যখন সূর্য সাগরের বুকে অস্ত যায়, তখন পুরো সৈকত যেন এক মায়াবী রূপ ধারণ করে।

    দর্শনীয় স্থান ও অভিজ্ঞতা

    • ঝাউবাগান: সৈকতের কোল ঘেঁষে রয়েছে বিশাল ঝাউবন, যেখানে বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ আর সমুদ্রের গর্জন এক অদ্ভুত প্রশান্তি দেয়।

    • মাঝি ও জেলেদের ব্যস্ততা: খুব ভোরে বা বিকেলে গেলে দেখা যায় সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ফেরা জেলেদের কর্মব্যস্ততা। তাজা সামুদ্রিক মাছের স্বাদ নেওয়ার সুযোগও মেলে এখানকার স্থানীয় বাজারগুলোতে।

    • মেরিন ড্রাইভের সৌন্দর্য: কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যাওয়ার ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়কটি এই ভ্রমণের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। একপাশে পাহাড় আর অন্যপাশে সমুদ্রের মিতালি দেখার মতো।

    ভ্রমণের সেরা সময় ও টিপস

    শীতকাল (নভেম্বর থেকে মার্চ) টেকনাফ ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। তবে বর্ষায় সমুদ্রের উত্তাল রূপ দেখতে যারা ভালোবাসেন, তারা এই সময়েও আসতে পারেন।

    সতর্কতা: টেকনাফ সৈকত অনেকটা নির্জন হওয়ায় সন্ধ্যার পর একা ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। এছাড়া সমুদ্র স্নানের সময় জোয়ার-ভাটার তথ্য জেনে নেওয়া জরুরি।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ