বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • ব্যাংক-বিমা শেয়ারে পিই নয়, পিবি রেশিও বিবেচনার সুপারিশ

    ব্যাংক-বিমা শেয়ারে পিই নয়, পিবি রেশিও বিবেচনার সুপারিশ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও বিনিয়োগবান্ধব করতে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’-এ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। খসড়া সংশোধনীতে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার মূল্যায়নে প্রচলিত মূল্য-আয় (পিই) অনুপাতের পরিবর্তে প্রাইস-টু-বুক (পিবি) রেশিও বিবেচনার সুপারিশ করা হয়েছে।

    জনমত যাচাইয়ের জন্য রোববার (১৯ জুলাই) কমিশন সংশোধিত খসড়া প্রকাশ করেছে।

    প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, গ্রাহকের ইকুইটির বিপরীতে মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ অনুপাত সব ক্ষেত্রে ১:১ নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ অনুপাত ১:১, ১:০.৫ এবং ১:০.২৫। তবে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান চাইলে নিজস্ব ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এর চেয়ে কম ঋণ দিতে পারবে।

    খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, মার্জিন ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন সক্ষমতা বাড়াতে নিট সম্পদের বিপরীতে ঋণসীমা তিন গুণ থেকে বাড়িয়ে পাঁচ গুণ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    এছাড়া গ্রাহকের ইকুইটি ৭৫ শতাংশের পরিবর্তে ৭০ শতাংশে নেমে এলে মার্জিন কল দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। তবে ইকুইটি ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ফোর্সড সেলের বিদ্যমান নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে।

    মার্জিনযোগ্য শেয়ার নির্ধারণের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পিবি রেশিও ৩-এর বেশি এবং বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পিবি রেশিও ১-এর বেশি হলে সেই শেয়ার মার্জিন ঋণের আওতায় থাকবে না। অন্যদিকে অন্যান্য খাতের কোম্পানির পিই রেশিও সর্বশেষ চার প্রান্তিকের পরিবর্তে সর্বশেষ নিরীক্ষিত বার্ষিক ইপিএসের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

    খসড়া অনুযায়ী, এখন থেকে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরির সব কোম্পানির শেয়ার মার্জিনযোগ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার বিদ্যমান শর্ত তুলে নেওয়া হচ্ছে।

    বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও কিছু শর্ত শিথিল করার সুপারিশও রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থী, গৃহিণী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মার্জিন ঋণ গ্রহণে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর হবে।

    এ ছাড়া ওভারঅল মার্কেট পিইর ভিত্তিতে মার্জিন অনুপাত কমানোর বিধান, বছরে গড়ে ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগের বাধ্যবাধকতা, ৫০ কোটি টাকার ফ্রি-ফ্লোট মার্কেট ক্যাপ এবং ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েসি-সংক্রান্ত শর্ত বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতি বছর মার্জিন চুক্তি নবায়নের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় নবায়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ