বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • স্বামীর অজান্তে টাকা নেওয়া কখন বৈধ, জানাল ইসলামি বিধান

    স্বামীর অজান্তে টাকা নেওয়া কখন বৈধ, জানাল ইসলামি বিধান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রশ্ন: স্ত্রী কি স্বামীর পকেট থেকে না জানিয়ে টাকা নিতে পারবেন? ইসলামি শরিয়তে এর বিধান কী?

    উত্তর: ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী স্ত্রীর ভরণ-পোষণ, প্রয়োজনীয় খরচ ও মৌলিক চাহিদা পূরণ করা স্বামীর দায়িত্ব। স্বামী যদি তার এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করেন, প্রয়োজনীয় খরচ না দেন বা অতিরিক্ত কৃপণতা করেন, তাহলে স্ত্রী নিজের ও সন্তানদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য স্বামীর অজান্তে তার সম্পদ থেকে ন্যায্য পরিমাণ অর্থ নিতে পারবেন। এতে শরিয়তের দৃষ্টিতে তিনি গুনাহগার হবেন না।

    উম্মুল মুমিনীন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত হিন্দ বিনতে উতবা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে অভিযোগ করেন, তার স্বামী আবু সুফিয়ান (রা.) প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ দেন না। এ অবস্থায় তিনি স্বামীর অজান্তে কিছু অর্থ নিয়ে নেন। তখন নবীজি (সা.) তাকে বলেন, ‘তুমি তোমার ও তোমার সন্তানের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত নিয়মে যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু নিতে পারো।’ (সহিহ বুখারি: ৩৮২৫, সহিহ মুসলিম: ১৭১৪)

    তবে এ অনুমতির নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। স্ত্রী শুধু নিজের ও সন্তানদের প্রয়োজনীয় ভরণ-পোষণের পরিমাণ নিতে পারবেন। এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ, বিলাসী পণ্য কেনা, অপ্রয়োজনীয় খরচ বা ব্যক্তিগত শখ পূরণের জন্য স্বামীর অনুমতি ছাড়া টাকা নেওয়া বৈধ নয়। প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা আমানতের খেয়ানত হিসেবে গণ্য হতে পারে।

    ইসলামি দৃষ্টিতে সুন্দর দাম্পত্য জীবনের জন্য শুধু দায়িত্ব পালন করাই যথেষ্ট নয়; স্বামীর উচিত সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীকে ব্যক্তিগত খরচের জন্য কিছু অর্থ দেওয়া। এতে পারিবারিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয় এবং পারস্পরিক ভালোবাসা ও বিশ্বাস বাড়ে।

    বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) উল্লেখ করেছেন, স্ত্রীর অন্যতম অধিকার হলো—স্বামী তাকে এমন কিছু অর্থ দেবেন, যা তিনি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় করতে পারবেন। এর পরিমাণ নির্ধারিত হবে স্ত্রীর অবস্থা ও স্বামীর আর্থিক সামর্থ্যের ভিত্তিতে। (মুনতাখাব আনমোল মোতি)

    তিনি আরও বলেন, নারীদের বিভিন্ন ছোটখাটো প্রয়োজন থাকে, অথচ অনেকের নিজস্ব আয় থাকে না। তাই স্বামীদের উচিত মূল ভরণ-পোষণ ও মোহরের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীকে নিয়মিত কিছু অর্থ দেওয়া, যাতে তিনি নিজের প্রয়োজন মেটাতে পারেন। (তোহফায়ে যাওজাইন)


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ