বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • নতুন ঋণের চেয়ে পুরোনো ঋণ শোধে বেশি ব্যয়, জুলাইয়ে ঘাটতি ২৭৩ মিলিয়ন ডলার

    নতুন ঋণের চেয়ে পুরোনো ঋণ শোধে বেশি ব্যয়, জুলাইয়ে ঘাটতি ২৭৩ মিলিয়ন ডলার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশে নতুন করে যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় হচ্ছে, তার তুলনায় পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হচ্ছে অনেক বেশি। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে পাওয়া ঋণের চেয়ে ২৭৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ।

    রোববার (৩০ আগস্ট) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশকে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ ছাড় করেছে। বিপরীতে আগের নেওয়া ঋণের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ নতুন ঋণ হিসেবে যত অর্থ এসেছে, তার প্রায় আড়াই গুণ চলে গেছে পুরোনো ঋণ পরিশোধে।

    কমেছে নতুন ঋণের অর্থছাড়

    ইআরডির তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ ২০৮ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পেয়েছিল। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে অর্থছাড় হয়েছে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার।

    এক বছরের ব্যবধানে জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় কমেছে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নতুন ঋণের অর্থছাড় কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    বাড়ছে ঋণ পরিশোধের চাপ

    নতুন ঋণের অর্থছাড় কমলেও পুরোনো ঋণ পরিশোধের চাপ কমেনি। বরং গত বছরের তুলনায় জুলাইয়ে ঋণ পরিশোধ কিছুটা বেড়েছে।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ বাবদ ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল। চলতি অর্থবছরের একই মাসে পরিশোধের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ এক বছরে ঋণ পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।

    গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ায় চাপ বাড়ছে

    বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য নেওয়া আগের ঋণগুলোর গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে আসায় কিস্তি পরিশোধের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এসব ঋণের আসল ও সুদ নিয়মিত পরিশোধ করতে হচ্ছে সরকারকে।

    অন্যদিকে নতুন প্রকল্পে উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থছাড় প্রত্যাশিত গতিতে না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। নতুন ঋণের প্রবাহ কম এবং পুরোনো ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে চাপ তৈরি হচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় ও পরিশোধের এই ব্যবধান দীর্ঘায়িত হলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন—দুই ক্ষেত্রেই বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ