বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ঢাকায় ভ্যাপসা গরম, বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস মৌলভীবাজারে পাহাড়-টিলা কেটে রিসোর্টের হিড়িক, অনুমোদনের হিসাব নেই ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা
  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাংলাদেশে সরবরাহ বন্ধ

    বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাংলাদেশে সরবরাহ বন্ধ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নেপালের ভোটেকোশি নদীতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক জলবিদ্যুৎকেন্দ্র। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহেও। ক্ষতিগ্রস্ত দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন বন্ধ থাকায় বর্তমানে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

    বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নেপালের সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

    গত ২৬ আগস্ট ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যায় নেপালের বিভিন্ন অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

    বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ায় নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদনও বেড়ে যায়। অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়।

    বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদন পাওয়া দুটি প্রকল্প হলো ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলমি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র। ভোটেকোশি নদীর আকস্মিক বন্যায় কেন্দ্র দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ফলে গত সপ্তাহ থেকে দুটি কেন্দ্রই বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। এসব প্রকল্প থেকে ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে মার্কিন ডলারের বিনিময়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো।

    বন্যার কারণে শুধু বাংলাদেশ নয়, নেপালের সামগ্রিক বিদ্যুৎ রপ্তানিও কমে গেছে। কাঠমান্ডু পোস্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুষ্ক মৌসুমেও নেপাল গড়ে প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করছিল। বর্তমানে তা কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

    একসময় শীতকালে বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে নেপালকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হতো। তবে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্প্রসারণের ফলে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশটি এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক হিসেবে অবস্থান তৈরি করেছে।

    নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে ভারতকে অন্য জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিকল্প ব্যবস্থা করার সুযোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

    নেপালের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রপ্তানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হতে সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন