বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

ইসলামের দৃষ্টিতে হাতের নখ বড় রাখা: কী বলা হয়েছে?

ইসলামের দৃষ্টিতে হাতের নখ বড় রাখা: কী বলা হয়েছে?
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

বর্তমান সময়ে অনেকে সৌন্দর্য আর ফ্যাশনের প্রতি মনোযোগী অনেক বেশি। একেক সময় ট্রেন্ডে আসে একেক ফ্যাশন। আবার শখের বশে অনেকে অনেক ধরনের ফ্যাশন অনুসরণ করেন। এর মধ্যে একটি নখ বড় রাখা। এ বিষয়টি ইসলামের দৃষ্টিতে কতটুকু গ্রহণযোগ্য, তা অনেকেরই অজানা।

ইসলামে নখ বড় রাখা নিন্দনীয় এবং অধিকাংশ ফিকাহ বিশেষজ্ঞ এটিকে নাজায়েজ বলে মনে করেন। নিয়মিত নখ কাটা ও পরিষ্কার রাখা ফিতরাতের (নবীদের পন্থা) অন্তর্ভুক্ত। হজরত মুহাম্মদ (সা.) হাদিসে বলেন, পাঁচটি বিষয় ফিতরাতের মধ্যে পড়ে: খৎনা করা, নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা, নখ কাটা, বগলের লোম উপড়ে ফেলা এবং গোঁফ ছোট করা। (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৯২)

হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নখ কাটা, গোঁফ ছোট করা, বগলের লোম উপড়ে ফেলা এবং নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করার জন্য ৪০ দিনের বেশি দেরি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (মুসলিম, হাদিস: ২৫৮)

ইমাম নববী (রহ.) বলেন, নখ কাটা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই সুন্নাত। (আলমাজমুউ: ১/৩৩৯) এ ছাড়া, নখ বড় হলে অজুর সময় নখের গোড়ায় পানি না পৌঁছালে অজু শুদ্ধ হয় না। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া, খণ্ড: ০১, পৃষ্ঠা: ২২)

আবু ওয়াসিল বর্ণনা করেন, তিনি আবু আইয়ুব (রা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাতে গেলে তিনি তার বড় নখ দেখে বলেন, হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কেউ কেউ আসমানের খবর জিজ্ঞেস করো, অথচ তোমার নখ পাখির নখের মতো, যেখানে ময়লা জমে থাকে!’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ২৩০১১)


দৈএনকে/জে, আ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন