শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • যাত্রাবিরতিতে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরে স্বাগত কারাগারের বদলে বাড়িতেই সাজা ভোগ করবেন নাজিব রাজাক চ্যাটবটকে যা বলবেন না, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় থাকুন সতর্ক সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বোতলজাত সয়াবিনের সংকট, কয়েক দোকান ঘুরেও মিলছে না তেল মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪
  • অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হত্যার পরিসংখ্যান বাড়ার আসল চিত্র প্রকাশ

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হত্যার পরিসংখ্যান বাড়ার আসল চিত্র প্রকাশ
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সাম্প্রতিক অপরাধ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হত্যার সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে হলেও এর মূল কারণ নতুন অপরাধ বৃদ্ধি নয়। দীর্ঘদিন রেকর্ডবিহীন থাকা ও দমনকৃত বহু হত্যার ঘটনা পুনঃনথিভুক্ত হওয়ায় এই চিত্র সামনে এসেছে।

    অন্যদিকে দাঙ্গা, চুরি ও ডাকাতির মতো অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) জানানো হয়েছে, গত ১৩ মাসে অন্তত এক হাজার ১৩০টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

    এর বড় অংশ শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত হলেও সে সময় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল ও পুলিশের অনীহার কারণে মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেসব মামলার রেকর্ড উন্মুক্ত হয়েছে। ফলে হত্যার পরিসংখ্যান তুলনামূলক বেশি দেখালেও তা আসলে দীর্ঘদিনের চাপা পড়া অপরাধের হিসাব।

    অপরদিকে, অন্যান্য অপরাধের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

    ডাকাতি: ২০২৪ সালের ১ হাজার ৪০৫ থেকে ২০২৫ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১৪-এ।

    আইনশৃঙ্খলা ব্যাহতকরণ (দ্রুত বিচার) আইন: ২০২৪ সালের ১ হাজার ২২৬ থেকে ২০২৫ সালে নেমে এসেছে ৬৫১-এ।

    দাঙ্গা: ২০২৪ সালের ১২৫ থেকে ২০২৫ সালে ৫৯-এ নেমেছে।

    চুরি: ২০২৪ সালের ৮ হাজার ৬৫২ থেকে ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৬ হাজার ৩৫৪-এ দাঁড়িয়েছে।

    প্রেস উইংয়ের পাঠানো পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, অপরাধের পরিসংখ্যানের এই পরিবর্তন একদিকে দীর্ঘদিন দমনকৃত মামলার উন্মোচনকে নির্দেশ করছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক উন্নতির প্রতিফলনও ঘটাচ্ছে। পূর্বে রাজনৈতিক দমনপীড়ন ও ভয়ের পরিবেশ থাকায় অনেক ভুক্তভোগী মামলা করতে পারতেন না এবং পুলিশের পক্ষ থেকেও নিরুৎসাহিত করা হতো। বর্তমানে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। নাগরিকরা ভয়ভীতিমুক্তভাবে মামলা দায়ের করতে পারছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহযোগিতাপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    ফলে একদিকে পুরনো অপরাধের রেকর্ড যোগ হওয়ায় হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের সংখ্যা বেশি মনে হলেও চুরি, ডাকাতি ও দাঙ্গার মতো অপরাধ কমে যাওয়া সমাজে নিরাপত্তাবোধ জোরদার করেছে। সামগ্রিকভাবে এ পরিবর্তন দেশে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন