বাংলাদেশ সরকার নেপালের পরিস্থিতি তত্ত্বাবধান করছে

বাংলাদেশ সরকার নেপালের বর্তমান পরিস্থিতি মনিটর করছে এবং ঘটনার কারণে নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছে। বাংলাদেশ নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে।
বাংলাদেশ আশা করছে, সকল পক্ষ সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখবেন এবং যেকোনো মতপার্থক্য সমাধানের জন্য শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক সংলাপে অংশ নেবেন।
নেপালের দীর্ঘমেয়াদী বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে, বাংলাদেশ নেপালের জনগণকে শান্তি ফিরিয়ে আনার এবং দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সক্ষমতার প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখে। দেশটি প্রত্যাশা করছে, নেপাল শীঘ্রই স্থিতিশীল ও নিরাপদ পরিবেশে ফিরে আসবে।
প্রসঙ্গত, নেপালে টানা বিক্ষোভের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে ঢুকে সেখানে একটি ভবনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন জেন জি প্রজন্মের তরুণ বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণ থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণের ভবনে আগুন ধরালেও, মূল পার্লামেন্ট ভবন অক্ষত রয়েছে।
ঘটনার কয়েক মিনিট আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন। তার আগে বিক্ষোভকারীরা অলির ভক্তপুরের বাসভবনসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বাড়িতে আগুন দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাজারো বিক্ষোভকারী স্লোগান দিতে দিতে পার্লামেন্ট চত্বরে ঢুকে পড়ে। তারা ধূসর ও কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ভবনে ভাঙচুর চালায়।