বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
আগের ট্রাইব্যুনালের প্রহসন প্রসঙ্গে মাহমুদুর রহমান

“দাঁড়াইয়া যাবেন, আমি বসাইয়া দিমু”— আদালতের নির্দেশ নিয়ে সমালোচনা

“দাঁড়াইয়া যাবেন, আমি বসাইয়া দিমু”— আদালতের নির্দেশ নিয়ে সমালোচনা
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আওয়ামী লীগের শাসনামলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর জেয়াদ আল-মালুমকে তৎকালীন চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক আগে থেকেই একটি বিশেষ নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “বিচার চলাকালে আপনি দাঁড়াইয়া যাবেন আর আমি বসাইয়া দিমু। সবাই মনে করবে আমাদের খাতির নেই।”

এই ঘটনা ট্রাইব্যুনালের কার্যপ্রণালী এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের নির্দেশ আদালতের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্রাইব্যুনাল ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এই ঘটনায় অতীত ও বর্তমান বিচার প্রক্রিয়ার সমালোচনা করছেন, যা আদালতের স্বাধীনতা ও সততার প্রশ্ন তুলেছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) শেখ হাসিনার মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তৎকালীন ট্রাইব্যুনালের বিচার নিয়ে এসব কথা তুলে ধরেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

আজ ৪৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

স্কাইপ কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে মাহমুদুর রহমান বলেন, শাপলা চত্বরে গণহত্যার কিছুদিন আগে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। তখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর বিচার চলছিল। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন নিজামুল হক নাসিম। তিনি বিচারের নামে যে অবিচার করেছিলেন তার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপিয়েছিল দৈনিক আমার দেশ ও লন্ডনের দ্য ইকোনমিস্ট পত্রিকা। নিজের বেঞ্চের মামলা নিয়ে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিক জিয়া উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলতেন বিচারপতি নিজামুল হক। তাদের স্কাইপ কথোপকথনের প্রমাণ ও ইমেইল আমার দেশ ও ইকোনমিস্টের কাছে পৌঁছায়।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন