বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ঢাকায় ভ্যাপসা গরম, বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস মৌলভীবাজারে পাহাড়-টিলা কেটে রিসোর্টের হিড়িক, অনুমোদনের হিসাব নেই ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা
  • আকাশে ভেসে থাকা তুলোর মতো মেঘের রহস্য

    আকাশে ভেসে থাকা তুলোর মতো মেঘের রহস্য
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আকাশে ভেসে থাকা তুলোর মতো মেঘ আমাদের প্রতিদিনের জীবনের এক পরিচিত অথচ রহস্যময় সঙ্গী। কখনো সাদা, কখনো ধূসর, আবার কখনো লালচে রঙে রঙিন হয়ে তারা যেন আকাশের ক্যানভাসে আঁকা শিল্পকর্ম। কিন্তু এই তুলোর মতো হালকা মেঘের ভেতরে লুকিয়ে আছে প্রকৃতির জটিল বিজ্ঞান ও অসীম সৌন্দর্যের গল্প। মেঘ কেবল সৌন্দর্যের প্রতীকই নয়, বরং বৃষ্টি, ঝড়, এমনকি আবহাওয়ার পূর্বাভাসেরও ইঙ্গিতবাহী। তাই মেঘের এই তুলোর মতো ভেসে থাকা রূপের ভেতরে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর রহস্য, যা জানার মতো অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

    আমরা আকাশে যে তুলোর মতো সাদা নরম মেঘ ভেসে থাকতে দেখি, সেগুলো দেখতে যতই হালকা লাগুক না কেন, বাস্তবে এদের ওজন আপনাকে চমকে দেবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, একটি সাধারণ কিউমুলাস মেঘের ওজন হতে পারে প্রায় ১০ লক্ষ পাউন্ড (প্রায় ৫০০ টন)—যা প্রায় ১০০টি হাতির সমান!

    তাহলে প্রশ্ন হলো—এত ভারী মেঘ কেন ভেঙে পড়ে না?

    আসলে মেঘ তৈরি হয় অসংখ্য ক্ষুদ্র জলকণা বা বরফকণার সমষ্টি দিয়ে। প্রতিটি কণাই এত ক্ষুদ্র ও হালকা যে বাতাসের স্রোতে ভেসে থাকতে পারে। এগুলো বিশাল আকাশজুড়ে ছড়িয়ে থাকে, ফলে সামগ্রিক ওজন বিশাল হলেও আলাদা আলাদা কণার ওজন এতটাই নগণ্য যে তা নিচে পড়ে না।

    মেঘকে ভেসে থাকতে সাহায্য করে এর চারপাশের বাতাসও। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মেঘের চারপাশের বাতাস আসলে মেঘের ভেতরের তুলনায় বেশি ঘন। এই ঘনত্বের পার্থক্যের কারণেই মেঘ ভেসে থাকে আকাশে, অনেকটা যেমন পানিতে তেল ভেসে থাকে।

    কখন ভাঙে এই ভারসাম্য?

    যখন জলকণাগুলো একত্রিত হয়ে আকারে বড় হয় এবং ওজন বাড়তে শুরু করে, তখন আর বাতাসে ভেসে থাকা সম্ভব হয় না। সেই মুহূর্তেই শুরু হয় বৃষ্টি। অর্থাৎ মেঘ আকাশে ভেসে থাকে ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ না তার ভেতরের কণাগুলো ভারী হয়ে পড়ার মতো হয়।

    মেঘ দেখতে যতই হালকা আর নরম মনে হোক না কেন, আসলে তারা আকাশে ভেসে থাকা একেকটা বিশাল জলাধার। প্রকৃতির এই বিস্ময়কর ভারসাম্যই আমাদের এনে দেয় কখনও ছায়া, কখনও বৃষ্টি, আবার কখনও রঙিন রামধনুর দৃশ্য।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ