বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রিজভী ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৭৫৩ আনিসুল হকসহ চারজনের ১৭২ কোটি টাকার সম্পদ, চার্জশিট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু বুড়ো বলায় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে মাটিতে ফেললেন রোনালদো পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা তালাবদ্ধ কমিউনিটি ক্লিনিক, দেওয়াল টপকে ভেতরে গেলেন এমপি অসদাচরণের অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকায় ১২ প্রকল্প অনুমোদন
  • কী কারণে জিন মানুষের শরীরে ঢুকতে পারে?

    কী কারণে জিন মানুষের শরীরে ঢুকতে পারে?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জিন কোনো মানুষের শরীরে নিজের ইচ্ছায় ঢুকতে পারে না। এটি ঘটে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কারণ ও শর্তে। জিনের শরীরে প্রবেশ এলোমেলো নয়, বরং উদ্দেশ্যমূলক এবং শর্তসাপেক্ষ।

    আলেমদের মতে,মানুষের শরীরে জিন প্রবেশের কয়েকটি প্রধান কারণ রয়েছে:

    • উদ্দেশ্যমূলক জাদু (সিহর): কোনো জাদুকর যদি শয়তানী আত্মাকে বাধ্য করে মানুষের ক্ষতি করার জন্য।
    • জিনের আকর্ষণ বা প্রেম: জিন মানুষকে আকৃষ্ট হতে পারে বিশেষত গোসল, ঘুম বা অনাবৃত অবস্থায়।
    • অন্যায়ভাবে কষ্ট দেওয়া: যেমন, আল্লাহর নাম না নিয়ে গরম পানি বা অন্য জিনবসতির ওপর আঘাত করা।
    • মানসিক দুর্বলতা: প্রচণ্ড রাগ, ভয়, মানসিক আঘাত বা ঈমানের দুর্বলতায় জিনের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।
    • হাসাদ ও ঈর্ষা: অত্যধিক হিংসা বা ঈর্ষা মানুষের শরীর ও মনকে দুর্বল করে।

    তবে আলেমরা বলছেন, মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে চললে জিনের প্রবেশ থেকে নিরাপদ থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:

    • সব কাজে বিসমিল্লাহ বলা ও পবিত্র ও ওজু অবস্থায় থাকা।
    • ফরজ গোসল এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত করা।
    • হারাম কাজ ও খাবার থেকে দূরে থাকা।
    • ঘরে নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত, বিশেষ করে সুরা বাকারা, আয়াতুল কুরসি এবং তিন কুল।
    • ঘুমানোর আগে ও নামাজের পর দোয়া পড়া।
    • গানবাজনা, প্রাণীর মূর্তি বা চোখ-কান-মুখযুক্ত ছবি ঘরে না রাখা।
    • দরজা-জানালা সন্ধ্যা নামার আগে বিসমিল্লাহ বলে বন্ধ করা।

    যদি কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের কেউ জিন বা জাদুর প্রভাবে আক্রান্ত মনে করেন, তাৎক্ষণিকভাবে রুকইয়াহ বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ আলেমে এর কার্যকরীর সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তারা শরীয়াহ সম্মত চিকিৎসা ও দোয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

    যারা হিংসা ও জাদু ব্যবহার করে মানুষের জীবন নষ্ট করছে, তাদেরকে হেদায়েত দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। না হলে আল্লাহর পক্ষ থেকে ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন