বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মৌলভীবাজারে পাহাড়-টিলা কেটে রিসোর্টের হিড়িক, অনুমোদনের হিসাব নেই ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির
  • মানুষ কীভাবে দুই পায়ে হাঁটা শিখল?

    মানুষ কীভাবে দুই পায়ে হাঁটা শিখল?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মানুষ কীভাবে দুই পায়ে হাঁটা শিখল—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে গবেষণা করছেন। সম্প্রতি আফ্রিকার সাত মিলিয়ন বছর আগের এক প্রাণীর হাড় বিশ্লেষণ এই বিষয়ে নতুন আলোর সূত্র দেখিয়েছে। গবেষকদের মতে, এই প্রাণীটি মানুষের সবচেয়ে প্রাচীন পূর্বপুরুষ হতে পারে। তবে সব বিজ্ঞানী এখনও একমত নন।

    সম্প্রতি সায়েন্স অ্যাডভ্যান্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সাহেলানথ্রোপাস ট্যাচাডেনসিস নামের এই প্রজাতিটি আংশিকভাবে হলেও দুই পায়ে হাঁটতে পারত। এই প্রজাতিটি ২০০১ সালে আফ্রিকার চাদ দেশে আবিষ্কৃত হয়। গবেষকেরা একে আদর করে ‘টুমাই’ নামেও ডাকেন।

    গবেষণায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জীবাশ্ম হাড় গভীরভাবে পরীক্ষা করা হয়। এতে উরুর হাড়ে (ফিমার) একটি ছোট উঁচু অংশ পাওয়া গেছে, যাকে ফিমোরাল টিউবার্কল বলা হয়। এটি এমন এক স্থানে থাকে, যেখানে শরীর সোজা রেখে দাঁড়ানো ও হাঁটার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি লিগামেন্ট (হাড় ও পেশি যুক্তকারী শক্ত টিস্যু) যুক্ত থাকে। এই গঠন সাধারণত দুই পায়ে হাঁটা প্রাণীদের মধ্যেই দেখা যায়।

    গবেষকদের মতে, টুমাই দেখতে ছিল বানরজাতীয়। তবে তার হাড়ের গঠন আধুনিক শিম্পাঞ্জির চেয়ে মানুষের পূর্বপুরুষদের সঙ্গে বেশি মিল রাখে। ধারণা করা হচ্ছে, সে মাটিতে দুই পায়ে হাঁটত, আবার সময়ের একটি অংশ গাছেও কাটাত।

    তবে এ নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেছে। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, প্রমাণ এখনো যথেষ্ট নয়। আরও জীবাশ্ম না পাওয়া গেলে নিশ্চিত করে বলা কঠিন, টুমাই সত্যিই মানুষের সরাসরি পূর্বপুরুষ কি না।

    এই বিতর্ক মেটাতে গবেষকেরা আবার চাদে গিয়ে নতুন জীবাশ্ম খোঁজার পরিকল্পনা করছেন। নতুন প্রমাণ মিললে মানুষের শুরুর ইতিহাসে হয়তো বড় পরিবর্তন আসতে পারে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ