বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মৌলভীবাজারে পাহাড়-টিলা কেটে রিসোর্টের হিড়িক, অনুমোদনের হিসাব নেই ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির
  • ৬০০ বছর ধরে ব্যবহৃত “হ্যালো”-র চমকপ্রদ ইতিহাস

    ৬০০ বছর ধরে ব্যবহৃত “হ্যালো”-র চমকপ্রদ ইতিহাস
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আমরা প্রতিদিন ফোন, ইমেল বা মুখোমুখি সাক্ষাতে বারবার বলি “হ্যালো”। সাধারণ মনে হলেও, এই শব্দটির ইতিহাস সত্যিই চমকপ্রদ। সম্প্রতি ভাষাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শব্দটির উৎপত্তি ১৫ শতকে এবং মুদ্রণে প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৮২৬ সালে।

    প্রথমবার “হ্যালো” প্রকাশিত হয় কানেক্টিকাটের The Norwich Courier পত্রিকায়। ১৮৫০-এর দশকে এটি ব্রিটেনে ছড়িয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে ইংরেজি ভাষাভাষীদের মধ্যে প্রচলিত হয়।

    ভাষাতত্ত্ববিদরা জানান, “হ্যালো” বিভিন্ন উচ্চারণ ও স্বরানুসারে নানা অর্থ প্রকাশ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, “heyyy” ফ্লার্ট বোঝায়, “hellaw” দক্ষিণী আমেরিকার উচ্চারণ বোঝায়, আর সংক্ষিপ্ত “hi” সরল ও সোজাসাপ্টা অভিব্যক্তি প্রকাশ করে।

    শব্দটির উৎপত্তি বিতর্কিত হলেও প্রচলিত ব্যাখ্যা হলো জার্মান শব্দ “halâ”, যা মূলত ফেরিওয়ালার প্রতি আহ্বান হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এছাড়া শিকারের ডাক “halloo” এবং ফরাসি “hol” থেকেও এর উৎপত্তি হতে পারে। প্রাথমিক ইংরেজি রূপগুলো ছিল hullo, hillo, holla।

    বিশ্বজুড়ে অন্যান্য ভাষায় “হ্যালো”-এর সমতুল্য শব্দও রয়েছে। জার্মানিক ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ভাষায় “hallo, hallå” শক্তিশালী এবং কার্যকর মনে হয়, আর রোমান্স ভাষার “hola, olá” সৌজন্যমূলক অভিব্যক্তি প্রকাশ করে। হাওয়াইয়ান “aloha” বা হিব্রু “shalom” শুধু শুভেচ্ছা নয়, বরং স্নেহ ও শান্তি প্রকাশ করে।

    ডিজিটাল যুগে “হ্যালো” আরও বহুমাত্রিক ও সৃজনশীল হয়ে উঠেছে। মেসেজিং বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহারকারীরা “helloooo”, “hiiii”, “heyyyy” বা এমনকি হাত নাড়ার ইমোজি ব্যবহার করে। তবে মূল উদ্দেশ্য—পরিচিতি জানানো ও অন্যের স্বীকৃতি চাওয়া—আজও অপরিবর্তিত।

    প্রফেসর আলেসান্দ্রো ডুরান্তি বলেন, “যে কোনো উচ্চারণ বা দীর্ঘ-সংক্ষিপ্ত রূপে হ্যালো বলা মানে মানুষের সামাজিক অবস্থা, মানসিক অবস্থা এবং যোগাযোগের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে।”

    দুই শতাব্দীরও বেশি সময়ে এই সাধারণ শব্দটি কেবল শুভেচ্ছা নয়, মানব পরিচয় ও সংযোগের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ