৭টি প্রাণঘাতী অনলাইন গেম, সন্তানদেরকে নজরদারি করুন

আবারও আলোচনায় অনলাইন গেম। এক যুগ আগে রাশিয়ার ‘ব্লু হোয়েল’ বহু কিশোর-কিশোরীর জীবন কেড়েছিল। এবার গাজিয়াবাদের তিন বোনের আত্মহত্যার ঘটনায় উঠে এসেছে কোরিয়ান ‘লাভ গেম’। যদিও ঘটনার পেছনে আরও কিছু কারণ রয়েছে, তবুও অনলাইন গেমের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বর্তমান সময়ে ১৮ বছরের কম বয়সেই অনেক সন্তান স্মার্টফোন হাতে পায়। অনেকেই অভিভাবকের নজর এড়িয়ে গেমে মত্ত হয়ে যায়। এমন প্রবণতা বাড়ছে আতঙ্কের কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন অনলাইন গেমগুলো শিশু-কিশোরদের জন্য বিপজ্জনক—
১. ফায়ার ফেয়ারি
একটি স্টোভ রাতে জ্বালিয়ে রাখলে পরী এসে দেখা দেয়—এরকম গল্পের সঙ্গে যুক্ত এই গেম। বিপদ কতটা হতে পারে তা না ভেবেই কিশোররা এতে অংশ নেয়। ফলে পরিবারও ঝুঁকিতে পড়ে।
২. গ্র্যানি/এভিল নান
অন্ধকার ও ভূতুড়ে পরিবেশে খেলা হয়। ব্যর্থ হলে খেলোয়াড়কে খেলা থেকে বের হতে হয়। মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।
৩. ব্লু হোয়েল গেম
রাশিয়ার এই গেমে মোট ৫০টি টাস্ক থাকে। শেষ টাস্কে সুইসাইড করার নির্দেশ থাকে। একবার খেলা শুরু করলে থেকে যাওয়া খুব কঠিন, এবং এটি নেশার মতো প্রভাব ফেলে।
৪. রোবলক্স
গেম প্ল্যাটফর্ম হলেও মাঝে মাঝে যৌন সামগ্রী বা ভীতিকর দৃশ্য থাকে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে বিপদ তৈরি হতে পারে।
৫. ক্রোমিং চ্যালেঞ্জ
সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু চ্যালেঞ্জও প্রাণঘাতী। ডিওডোরেন্ট, পেইন্ট থিনার বা নেইলপলিশ রিমুভার শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণের ফলে মস্তিষ্ক ও ফুসফুসে প্রবল ক্ষতি হতে পারে।
৬. ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জ
শ্বাস আটকে রাখার চ্যালেঞ্জ। অক্সিজেনের অভাবে মস্তিষ্কের ক্ষতি, খিঁচুনি এবং মৃত্যুও ঘটতে পারে।
৭. বিনাড্রাই১ চ্যালেঞ্জ
অতিরিক্ত পরিমাণে বেনাড্রিল ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে দৃষ্টিভ্রম তৈরি করা হয়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, কোমা এবং মৃত্যু হতে পারে।
সতর্কবার্তা: অভিভাবকরা সন্তানদের অনলাইন গেমে অতিরিক্ত আসক্তি ও বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত নজরদারি করুন।