বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভাঙারির ঘর থেকে ৮০০ কেজি সরকারি বই উদ্ধার ডিএমপির অভিযানে ৫৪৬ জন গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার সাংবাদিকরা আছেন বলেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ডাকাতির মামলায় কিম কার্দাশিয়ান পেলেন ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টসহ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা বাড়ল আগামী মাসে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঢাকায় আকাশ মেঘলা, পার্শ্ববর্তী এলাকায়ও বজ্রসহ  বৃষ্টির সম্ভাবনা রাসায়নিক সার-কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মক্কায় ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পরই গ্যাস সরবরাহে উন্নতি: মাহদী আমিন
  • পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের হামলায় ৭ মার্কিন সৈন্যের প্রাণহানি

    পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের হামলায় ৭ মার্কিন সৈন্যের প্রাণহানি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কমপক্ষে সাতজন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ বিশ্লেষণে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান বিরোধী মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ওই অঞ্চলে আমেরিকার অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচ্চ-রেজোলিউশনের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও এবং মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের বিবৃতির ভিত্তিতে এই ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে মার্কিন সেনাদের আবাসন লক্ষ্য করে গত ১ মার্চের ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন এবং ভবনের ছাদ ধসে পড়ে। একই দিনে সৌদি আরবে অবস্থিত আরেকটি মার্কিন ঘাঁটিতে পৃথক হামলায় আরও একজন সেনা নিহত হয়েছেন। ইরানের এই হামলার তীব্রতা ও ব্যাপকতা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যতটা ধারণা করেছিলেন, তেহরান তার চেয়ে বহুগুণ বেশি সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। বিশেষ করে যুদ্ধের প্রথম দিনেই মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন ঘাঁটি আল-উদেইদসহ প্রিন্স সুলতান, আলী আল-সালেম এবং ক্যাম্প বুহরিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে আঘাত হানা হয়।

    হামলায় শুধু প্রাণহানিই নয় বরং বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে পেন্টাগন। কংগ্রেসের কাছে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে ২৮ ফেব্রুয়ারির একটি মাত্র হামলায় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আল-উদেইদ এবং আল-ধফরার মতো বেশ কিছু ঘাঁটি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। 

    ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ছিল আমেরিকার ব্যয়বহুল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাডের রাডার ইউনিট এবং যোগাযোগ অবকাঠামো। স্যাটেলাইট চিত্রে জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে একটি থাড রাডার সেন্সর ধ্বংস হওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে, যার একটির মূল্যই প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া কাতারে অবস্থিত ১.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘ পাল্লার রাডার সিস্টেমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সূত্র: প্রেস টিভি


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন