বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

সকাল শুরু করুন এই ৫ অভ্যাসে, সুস্থ থাকুন দীর্ঘদিন

সকাল শুরু করুন এই ৫ অভ্যাসে, সুস্থ থাকুন দীর্ঘদিন
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবনের জন্য দিনের শুরু সঠিকভাবে হওয়া জরুরি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার প্রথম এক ঘণ্টা শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম, হরমোনের ভারসাম্য এবং বিপাকক্রিয়ার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালের এই সময়ের অভ্যাস পুরো দিনের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম থেকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া বা সকালের খাবার এড়িয়ে যাওয়া—এ ধরনের অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তাঁদের মতে, দিনের শুরুতে স্বাস্থ্যকর রুটিন অনুসরণ করলে শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা করে।

দীর্ঘায়ুর জন্য সকালে কী ভাবে দিন শুরু করা উচিত?

১. রোদে সময় কাটান: ঘুম থেকে ওঠার ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রাকৃতিক সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসুন। মোবাইল বা অন্য কোনও পর্দার দিকে তাকানোর আগে গায়ে রোদ লাগানো উচিত। সূর্যালোক শরীরের জৈবিক ঘড়িকে সঠিক সঙ্কেত দেয়। এর ফলে ঘুম এবং জেগে থাকার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমোনগুলিও সঠিক সময়ে নিঃসৃত হতে পারে।

The power of the morning walk | Diabetes Focus

২. জলপান করুন: ঘুম থেকে ওঠার পরই পর্যাপ্ত জল পান করুন। সামান্য নুন মেশানো জলও খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকে, যাতে শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে। রাতভর ঘুমের পরে শরীরে সামান্য জলের ঘাটতি তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তাই সকালে জল পান করলে শরীর দ্রুত সতেজ হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন কোষের স্বাভাবিক কাজকর্মে সাহায্য করে।

Japanese water therapy: Know its benefits for glowing skin | HealthShots

৩. শারীরচর্চা করুন: অন্তত ২০-৩০ মিনিট হাঁটা, হালকা ব্যায়াম করা বা স্ট্রেচিং করা দরকার এই সময়ে। তার পরে না হয় চা বা কফি পান করবেন। ঘুম থেকে ওঠার পরে শরীরে স্বাভাবিক ভাবেই কিছু হরমোনের হেরফের হয়। তার উপর যদি ক্যাফিন যায় শরীরে, তা হলে শরীরের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। তাই আগে কিছুটা নড়াচড়া করলে শরীর স্বাভাবিক ভাবে জেগে উঠতে পারে।

৪. পর্যাপ্ত প্রোটিন খান: প্রাতরাশে ডিম, ডাল, পনির, দই বা অন্যান্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিতে পারেন। এর ফলে রক্তে শর্করার আকস্মিক ওঠানামা কমে যায়। পাশাপাশি, দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং পেশির স্বাস্থ্যরক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

৫. সাপ্লিমেন্ট নিন: যাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন বা অন্য সাপ্লিমেন্ট খেতে হয়, তাঁরা এটি সকালের খাবারের সঙ্গে খেতে পারেন।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন