বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

ইউরিয়া সরবরাহে অনিশ্চয়তা, বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগ জাতিসংঘের

ইউরিয়া সরবরাহে অনিশ্চয়তা, বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগ জাতিসংঘের
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি ও সার সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। সংস্থাটি বলছে, ইউরিয়া সারের মূল্যবৃদ্ধি ও উৎপাদন সংকট দেশের কৃষিকে বড় ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

ডব্লিউএফপির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ তার মোট ইউরিয়া সারের প্রায় ৮০ শতাংশ সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে আমদানি করে। বর্তমানে দেশে মজুত ইউরিয়া অক্টোবর পর্যন্ত চাহিদা মেটানোর মতো থাকলেও ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরিয়ার দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে গ্যাস সংকটের কারণে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি ইউরিয়া কারখানার মধ্যে তিনটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ডব্লিউএফপির আশঙ্কা, এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ (১৮.১ মিলিয়ন) মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী আনসার আল্লাহ (হুথি) জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবগামী দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির দাবি, লোহিত সাগরে আরোপিত সামুদ্রিক অবরোধ লঙ্ঘনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

হুথিদের আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়, এনসেলিয়া (ENCELIA) ও লায়লা (LAYLA) নামের দুটি তেলবাহী জাহাজে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও সারবাজারে পড়ছে, যা বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন