বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আনিসুল হকসহ চারজনের ১৭২ কোটি টাকার সম্পদ, চার্জশিট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু বুড়ো বলায় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে মাটিতে ফেললেন রোনালদো পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা তালাবদ্ধ কমিউনিটি ক্লিনিক, দেওয়াল টপকে ভেতরে গেলেন এমপি অসদাচরণের অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকায় ১২ প্রকল্প অনুমোদন অপরাধের ধরন বদলালে আইনও পরিবর্তন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
  • ১০ মাসের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত, সিনিয়র সহকারী সচিব বরখাস্ত

    ১০ মাসের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত, সিনিয়র সহকারী সচিব বরখাস্ত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অনুমোদন ছাড়াই ১০ মাসের বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৪(৩)(ঘ) বিধি অনুযায়ী গুরুদণ্ড হিসেবে পলায়নের তারিখ ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

    মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (পরিচিতি নম্বর-২০৬৮৯) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে পদায়িত ছিলেন। এর আগে তিনি দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর তাকে ইউএনও হিসেবে পদায়নের লক্ষ্যে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়। ৩১ অক্টোবর দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অবমুক্ত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করেননি তিনি। বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

    এরপর ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলি করে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেখানেও তিনি কাজে যোগদান করেননি।

    কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ও ৩(গ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ আনা হয়।

    বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ দুটি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে তাকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।

    এরপর এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত চাওয়া হলে কমিশনও তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি বরখাস্তের প্রস্তাবের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন