বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬ জ্বালানি সংকটে এখনো কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করবে ইসি ঢাকা-রংপুর লংমার্চ শান্তিপূর্ণ হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ খালেক গ্রেপ্তার ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • ভয়াবহ বন্যায় পাকিস্তানিদের জন্য সহমর্মিতা মালালার

    ভয়াবহ বন্যায় পাকিস্তানিদের জন্য সহমর্মিতা মালালার
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মালালা ইউসুফজাই পাকিস্তানের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের প্রতি গভীর শোক ও সহমর্মিতা জানিয়েছেন।

    রোববার (১৭ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া বার্তায় মালালা লিখেছেন, গিলগিট-বালতিস্তান থেকে শুরু করে আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর, বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়ার বুনের, সোয়াত, বাজৌর ও শাংলার মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের জন্য তাঁর হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে দ্রুত এগিয়ে আসা উচিত।

    মালালার নিজ জেলা মালাকান্দ ডিভিশনের শাংলা, যেখানে সর্বাধিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, শুধু শাংলায় ৩৭ জন মারা গেছেন।

    এছাড়া মানসেহরায় ২৩, সোয়াতে ২২, বাজৌরে ২১, বত্তাগ্রামে ১৫, লোয়ার দিরে পাঁচ এবং আবোটাবাদে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

    সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ১১টি বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে, ৬৩টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, আর সোয়াত ও শাংলার তিনটি স্কুলও ক্ষতির শিকার।

    শনিবার পর্যন্ত ভারী বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ৩৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) জানিয়েছে। এর মধ্যে কেবল খাইবার পাখতুনখোয়াতেই নিহত হয়েছেন ৩২৪ জন। আরও অন্তত ১৩৭ জন আহত হয়েছেন।

    প্রায় দুই হাজার উদ্ধারকর্মী নয়টি জেলায় ত্রাণ ও মরদেহ উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছেন, যদিও বৃষ্টি তাদের কাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    মালালা এ বছরের মার্চে দীর্ঘ ১৩ বছর পর নিজ গ্রাম শাংলার বারকানায় ফিরে গিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ২০১২ সালে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন