বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬ জ্বালানি সংকটে এখনো কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করবে ইসি ঢাকা-রংপুর লংমার্চ শান্তিপূর্ণ হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ খালেক গ্রেপ্তার
  • ইরানের বাইরে স্থাপিত হয়েছে গোপন অস্ত্র কারখানা!

    ইরানের বাইরে স্থাপিত হয়েছে গোপন অস্ত্র কারখানা!
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ জানিয়েছেন, দেশটি নিজেদের সীমান্তের বাইরেও একাধিক দেশে অস্ত্র উৎপাদন কারখানা স্থাপন করেছে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “ইরান আজ নিজস্ব প্রযুক্তি ও দক্ষতার মাধ্যমে এমন অবস্থানে পৌঁছেছে, যেখানে বিদেশেও অস্ত্র উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশে কারখানা স্থাপন করা হয়েছে।”

    তবে নাসিরজাদেহ কোন কোন দেশে এসব কারখানা স্থাপন করা হয়েছে, তা প্রকাশ করেননি। তিনি আরও বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভরশীল।

    আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, এই ঘোষণার মাধ্যমে আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত দিল তেহরান। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও মিত্র দেশগুলোতে ইরানের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরালো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘ইরান গত বছর নতুন ওয়ারহেড পরীক্ষা করেছে, যা অনেক উন্নত এবং কৌশলগত।’ এদিকে গত বৃহস্পতিবার বৃহৎ পরিসরে মহড়া চালিয়েছে ইরানের নৌবাহিনী। ওমান উপসাগর এবং উত্তর ভারত মহাসাগরে ভূপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাও চালিয়েছে তেহরান।

    এক মাস আগে ক্যাস্পিয়ান সাগরে ক্যাসারেক্স ২০২৫ নামে পরিচিত ইরান-রাশিয়ার যৌথ মহড়ার পর এই মহড়া চালানো হয়। ১৯৭৯ সাল থেকে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইরানের আধুনিক অস্ত্রের অ্যাক্সেস সীমিত করেছে, যা দেশীয় নকশা এবং পুরানো সিস্টেমের অভিযোজনের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘যদি জুন মাসের সংঘাত ১৫ দিন পর্যন্ত বিস্তৃত হতো, তাহলে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে পারত না। আর এ জন্যই ইসরায়েল মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চাইতে বাধ্য হয়েছিল।’

    ইরান তার সবচেয়ে নির্ভুল অস্ত্র কাসেম বাসির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেনি বলেও জানান তিনি। কাসেম বাসির ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মে মাসে উন্মোচিত হয়, যা একটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ইরান বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার। এতে রয়েছে উন্নত নির্দেশিকা এবং প্রতি-প্রতিরোধ ক্ষমতা।

    এর আগে গত সপ্তাহে, নাসিরজাদেহ বলেছিলেন, মার্কিন-নির্মিত এবং এবং প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি ও আয়রন ডোম সমন্বয়ে গঠিত ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগ ইরানি প্রজেক্টাইল থামাতে অক্ষম।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন