বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬ জ্বালানি সংকটে এখনো কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করবে ইসি
  • প্রিয় নুডলস খাওয়ার পর কিশোরের আকস্মিক মৃত্যু

    প্রিয় নুডলস খাওয়ার পর কিশোরের আকস্মিক মৃত্যু
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ছেলেটির প্রিয় খাবার ছিল নুডলস। মাগরিবের নামাজ ও কোরআন মুখস্থ করার ক্লাস শেষে ঘরে ফিরেই সে তিনটি প্যাকেট কাঁচা নুডলস খেয়ে ফেলে। কিন্তু এই প্রিয় খাবারই তার জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনে। তীব্র পেট ব্যথায় কিশোরটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

    হৃদয় বিদারক এ ঘটনাটি ঘটেছে মিসরের কায়রোতে। ঘটনাটি ভাইরালের পর জনসাধারণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা তদারকির দাবি উঠেছে।

    সম্প্রতি আল অ্যারাবিয়ার এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। 

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামজা নামে পরিচিত ওই কিশোর কায়রোর এল-মার্গ জেলায় নিজ বাড়িতে জনপ্রিয় ইন্দোনেশিয়ান ব্র্যান্ড ইন্দোমির নুডলস খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

    পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদসহ কায়রোর নিরাপত্তা অধিদপ্তরের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সন্ধ্যার নামাজ এবং কুরআন মুখস্থ করার ক্লাস থেকে ফিরে আসার পরপরই শুকনো নুডলস খেয়ে ফেলেছিল হামজা। এর ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

    মিসরীয় দৈনিক আল-মাসরি আল-ইয়ুমকে তার বাবা জানান, ছেলেটি তার প্রিয় খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যেই বমি, ঘাম এবং তীব্র পেটে ব্যথা অনুভব করতে শুরু করে। হামজাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডাক্তাররা বিষক্রিয়ার সন্দেহ করেন এবং পরিবারকে তাকে একটি টক্সিকোলজি সেন্টারে স্থানান্তর করার নির্দেশ দেন। শনিবার (১৬ আগস্ট) সেন্টারে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

    পূর্ববর্তী কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, সে বাড়িতেই মারা গেছে। কিন্তু তার বাবা স্পষ্ট করে বলেছেন, হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর টক্সিকোলজি সেন্টারে নেওয়ার পথে তার ছেলে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেছে। মেডিকেল পরীক্ষায় তার শরীরে কোনো মাদক বা অবৈধ পদার্থের আলামত পাওয়া যায়নি।

    এদিকে মিসরের পাবলিক প্রসিকিউশন সেই নুডলস বিক্রি করা দোকানের মালিককে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে এবং পণ্যটির তদন্ত শুরু করেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নুডলসের প্যাকেট থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের জন্য হামজার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন