বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • স্কুল বাঁচাতে কৃষকের বিরল ত্যাগ

    স্কুল বাঁচাতে কৃষকের বিরল ত্যাগ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভারতের রাজস্থানের পাহাড়ি গ্রাম পিপলোডিতে ৬০ বছর বয়সী কৃষক মোর সিং দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নিজের বাড়ি গ্রামের স্কুলকে দিয়ে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারি বর্ষণে স্কুল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরই মোর সিং এই নিঃস্বার্থ সিদ্ধান্ত নেন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোর সিং কখনো স্কুলে যাননি, তবে তিনি তার সাধারণ দুই কক্ষের বাড়ি ৫০-৬০ শিক্ষার্থীর উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য উন্মুক্ত করেছেন। রাজ্য সরকার তার এই উদ্যোগের জন্য ২ লাখ রুপি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

    পিপলোডিতে জুলাই মাসে এ বছর ৭০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক বর্ষণ (২৮৫ মিমি) হয়। ২৫ জুলাই একটি শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে সাত শিশুর মৃত্যু হয় ও ২১ জন আহত হয়। দুর্ঘটনার পর মোর সিং ও তার পরিবার অস্থায়ী ঝুপড়িতে চলে যান।

    মোর সিং বলেন, যদি দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিতাম, অনেক শিশু স্কুল ছেড়ে দিত। পাশের গ্রামে যেতে ছোটদের জন্য পাহাড়ি দুই কিলোমিটার পথ পার হওয়া সম্ভব নয়। 

    তিনি বলেন, শিশুর ভবিষ্যতের জন্য নিজের স্বাচ্ছন্দ্যও ত্যাগ করতে প্রস্তুত।

    মোর সিংয়ের এই উদ্যোগের পর রাজ্য সরকার পিপলোডিকে ‘আদর্শ গ্রাম’ ঘোষণা করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, নতুন স্কুল, খেলার মাঠ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ অন্যান্য সুবিধার জন্য অতিরিক্ত তহবিল আসবে, যদিও নতুন স্কুল নির্মাণে অন্তত দেড় বছর সময় লাগবে।

    গ্রামে প্রায় ৯০টি পরিবার বাস করে, যাদের অধিকাংশই আদিবাসী। মোর সিং বলেন, আমরা দরিদ্র জনগোষ্ঠী, কোনো উন্নয়নই প্রায় দেখিনি। তাই শিশুদের শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

    স্থানীয়রা তাকে ‘পুরো গ্রামের নায়ক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। দুর্ঘটনায় আহত রাম দয়ালের মেয়েসহ বহু শিশু এখন তার বাড়িতেই পড়াশোনা করছে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন