শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • উত্তর কোরিয়ায় সিনেমা-নাটক দেখার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

    উত্তর কোরিয়ায় সিনেমা-নাটক দেখার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    উত্তর কোরিয়া বিদেশি চলচ্চিত্র বা নাটক দেখা ও শেয়ার করার অপরাধেও মৃত্যুদণ্ড আরোপ করছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

    এতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গত এক দশকে উত্তর কোরিয়া তাদের দেশের নাগরিকদের জীবনের সবকিছুর ওপরই কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘আজকের দুনিয়ায় আর কোনো দেশের মানুষই এতটা কড়াকড়ির মধ্যে নেই।

    আধুনিক প্রযুক্তির বদৌলতে উত্তর কোরিয়ার নজরদারিও ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক বলেছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে উত্তর কোরীয়রা আগের চেয়ে আরও বেশি দুর্ভোগ, নির্মম নিপীড়ন এবং আতঙ্কের শিকার হবে।

    গত ১০ বছরে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের সাক্ষাৎকারের উপর ভিত্তি করে তৈরি এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার আরও বেশি করে করা হচ্ছে।

    একজন পালিয়ে আসা ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, মানুষের চোখ-কান বন্ধ করতে তারা অভিযান বাড়িয়েছে। সামান্য অসন্তোষ বা অভিযোগের ইঙ্গিতও যাতে না থাকে, সেটিই ছিল নিয়ন্ত্রণের মূল লক্ষ্য।

    ২০১৪ সালের ঐতিহাসিক প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়ার হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ, নির্যাতন, ইচ্ছাকৃত অনাহার সৃষ্টি এবং ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে কারাগারে আটকে রাখার প্রমাণ উপস্থাপন করেছিল জাতিসংঘ। নতুন প্রতিবেদনটি ২০১৪–এর পরবর্তী সময়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে সরকারের নতুন আইন ও নীতির মাধ্যমে দমননীতিকে বৈধ কাঠামো দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

    জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টার্ক বলেন, যদি উত্তর কোরিয়া বর্তমান পথে এগিয়ে যায়, তবে জনগণকে আরও ভোগান্তি, নৃশংস দমনপীড়ন ও ভয়-ভীতির মুখোমুখি হতে হবে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন