শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • ভয়াবহ খরা ও পানিশূন্যতার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে উদ্বেগ

    ভয়াবহ খরা ও পানিশূন্যতার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে উদ্বেগ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ সংকটে পড়েছে ইরান। রাজধানী তেহরানের প্রধান পানির উৎস আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দেশজুড়ে তীব্র খরার পরিস্থিতি ডেকে আনতে পারে।

    রোববার (৩ নভেম্বর) এমনই একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরএনএ। খবর আল জাজিরার। 

    রাজধানীর পানি ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরিচালক বেহজাদ পারসাকে উদ্ধৃত করে আইআরএনএ জানিয়েছে, রাজধানীর পানযোগ্য পানি সরবরাহকারী পাঁচটি বাঁধের মধ্যে একটি আমির কবির বাঁধ। এই জলাধারটিতে মাত্র ১৪ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি আছে এখন, যা এর মোট ধারণক্ষমতার মাত্র ৮ শতাংশ।

    বেহজাদ পারসা আরও জানিয়েছেন, এই স্তরে জলাধারটি মাত্র ‘দুই সপ্তাহের মতো’ তেহরানে পানি সরবরাহ চালিয়ে যেতে পারে। ১ কোটিরও বেশি লোকের এই মহানগরটি প্রায়ই বরফে আচ্ছাদিত থাকে এবং আলবোর্জ পর্বতমালার দক্ষিণ ঢালের বিপরীতে অবস্থিত। এই পর্বতমালা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৬০০ মিটার (১৮০০০ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত এবং পর্বতমালা থেকে নেমে আসা নদীগুলো একাধিক জলাধারকে পানি সরবরাহ করে।

    কিন্তু, বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তেহরান।

    গত মাসেই স্থানীয় এক কর্মকর্তা ঘোষণা করেছিলেন, তেহরানে বৃষ্টিপাতের মাত্রা প্রায় এক শতাব্দী ধরে নজিরবিহীনভাবে কম ছিল। পারসা বলেন, এক বছর আগেও আমির কবির বাঁধ ৮৬ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি ধরে রেখেছিল, কিন্তু তেহরান অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ১০০ শতাংশ কমে গেছে। 

    এদিকে অন্য জলাধারগুলোর অবস্থা সম্পর্কে এখনও বিশদ বিবরণ দেননি বেহজাদ পারসা। তবে, ধারণা করা হচ্ছে আসন্ন খরা গ্রাস করতে পারে ইরানের অনেক অঞ্চল।   

    ইরানি মিডিয়া অনুসারে, তেহরানের জনগণ প্রতিদিন প্রায় তিন মিলিয়ন ঘনমিটার পানি ব্যবহার করে।

    পানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা হিসেবে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া এই গ্রীষ্মে তাপপ্রবাহের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দিয়েছে। জুলাই এবং আগস্ট মাসে পানি এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য দুই দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছিল ইরানে। 


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন