শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • ফাশারের কসাই আবু লুলু—যার নামে কাঁপে সুদান

    ফাশারের কসাই আবু লুলু—যার নামে কাঁপে সুদান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    এল-ফাশারে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞে দুই হাজারেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহতের অভিযোগে আরএসএফ কমান্ডার আবু লুলু গ্রেপ্তার। প্রকৃত নাম আল-ফাতেহ আবদুল্লাহ ইদরিস, যিনি ‘এল-ফাশারের কসাই’ নামে কুখ্যাত

    ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আরএসএফ নেতা মোহাম্মদ হামদান দাগালো (হেমেদতি) এবং সুদানের সেনাবাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। চলমান সেই সংঘাতের অংশ হিসেবে আরএসএফ গত সপ্তাহে উত্তর দারফুর রাজ্যের রাজধানী এল-ফাশার শহর দখল করে নেয় এবং এরপরই স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়।

    বিভিন্ন ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, আরএসএফের কমান্ডার আবু লুলু ঠান্ডা মাথায় একে একে মানুষকে গুলি করে হত্যা করছেন। সম্প্রতি এক লাইভে তিনি অকপটে বলেন, আমি ২ হাজার মানুষ হত্যার লক্ষ্য নিয়েছিলাম। হয়তো তার চেয়েও বেশি হয়েছে, হিসাবটা হারিয়ে ফেলেছি।

    তিনি আরও বলেন, আমি সংখ্যাটা ভুলে গেছি, কিন্তু আমি আবার শূন্য থেকে শুরু করব। তার এই ভয়ংকর বক্তব্য বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। সামাজিক মাধ্যম টিকটক পরে তার অ্যাকাউন্টটি নিষিদ্ধ করে।

    গত ৩০ অক্টোবর আরএসএফ তাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, নেতৃত্বের নির্দেশে আবু লুলু ও এল-ফাশারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রকাশিত এক ছবিতে লুলুকে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দেখা যায়।

    আবু লুলু আরএসএফ নেতা হেমেদতির পরিবারের ঘনিষ্ঠজন ও মাহারিয়া রিজেইগাত গোত্রের সদস্য। পারিবারিক প্রভাব ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে তিনি দ্রুতই আরএসএফের বিশেষ বাহিনীতে পদোন্নতি পান। এর আগে তিনি গোয়েন্দা শাখায় কাজ করতেন এবং আরএসএফ ও সেনাবাহিনীর সংঘাত শুরু হলে হেমেদতির ভাইয়ের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

    বিবৃতিতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি অবশ্য দাবি করেছে, আবু লুলুর সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এর আগে গত সপ্তাহে আরএসএফ নেতা হেমেদতি স্বীকার করেন যে এল-ফাশারে কিছু লঙ্ঘন ঘটেছে এবং দাবি করেন, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন