শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • গাজায় ঝড়-বায়রন, শিশুসহ ১৪ জন নিহত

    গাজায় ঝড়-বায়রন, শিশুসহ ১৪ জন নিহত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গাজায় শক্তিশালী ঝড় বায়রনের তাণ্ডবে শিশুসহ অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের কারণে আশ্রয়কেন্দ্র ধস, তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বন্যায় ফিলিস্তিনিরা ভয়াবহ মানবিক সংকটে পড়েছে।

    গাজায় শক্তিশালী ঝড় বায়রনের প্রভাবে ৩ শিশুসহ অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

    ১২ ডিসেম্বর ভোরে উত্তর গাজার বির আন-নাজা এলাকায় এক আশ্রয়কেন্দ্র ধসে পড়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়। একই দিনে গাজা সিটির রেমাল এলাকায় দেয়াল ভেঙে তাঁবুর ওপর পড়ে আরও ২ জন প্রাণ হারান। এর আগে শাতি শরণার্থী শিবিরে একজন মারা যান এবং আল-মাওয়াসিতে ঠান্ডায় এক শিশুর মৃত্যু হয়।

    দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক ইব্রাহিম আল-খালিলি জানান, ঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করেছে। আজও বন্যা, ভারী বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

    জাতিসংঘের হিসাবে ৭৬১টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ ঝুঁকিতে রয়েছে। ইসরাইলি অবরোধ, যুদ্ধের ক্ষতি এবং ভয়াবহ আবহাওয়া সবমিলিয়ে মানবিক সংকটকে চরমে পৌঁছে দিয়েছে ফিলিস্তিনিদের। 

    ১০টি ভবন ধসে বেশ কয়েকজন নিখোঁজ করেছে বলে জানিয়েছে গাজার সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা। ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে তাদের উদ্ধারে কাজ চলছে। তবে প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে। 

    ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে তাঁবুগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, ফলে শরণার্থীরা ধ্বংস হওয়া বাড়িগুলোতে থাকা ছাড়া আর কোনো বিকল্প পাচ্ছেন না। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, বন্যা, ভারী বৃষ্টি এবং তুষারপাত অব্যাহত থাকবে। 


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন