শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • রেকর্ড ভাঙা সন্ত্রাসী মৃত্যু: ২০২৫ সালে বিপর্যস্ত পাকিস্তান

    রেকর্ড ভাঙা সন্ত্রাসী মৃত্যু: ২০২৫ সালে বিপর্যস্ত পাকিস্তান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পাকিস্তানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ৩ হাজার ৮২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৫ সালের পর এই প্রথম এক বছরে দেশটিতে নিহতের সংখ্যা এত বেশি হলো।

    বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার সন্ত্রাসবাদ পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল (এসএটিপি)। প্রতিবেদনে ২০১৪ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে নিহতের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে এসএটিপি। সেই পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে নিহতের সংখ্যা শতকরা হিসেবে বেড়েছে ৭০ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

    পাকিস্তানের ইতিহাসে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে এক বছরে সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে ২০১৪ সালে। সে বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছিলেন ৫ হাজার ৫১০ জন। ওই বছর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে আর্মি পাবলিক স্কুল নামের একটি স্কুলে হামলা চালিয়েছিল দেশটির নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী টিটিপি। সেই হামলায় নিহত হয়েছিল ১৫০ জন। এদের মধ্যে ১৩৪ জনই ছিল স্কুলটির শিক্ষার্থী।

    তার পরের বছর ২০১৫ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়ে প্রাণ হারান ৩  হাজার ৬৮৫ জন।

    তার পরবর্তী বছরগুলোতে নিহতের সংখ্যা কমে আসা শুরু করেলেও ২০২২ সাল থেকে ফের তাতে ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়। টানা কয়েক বছর বিরতির পর ওই বছরই চার অঙ্কে উন্নীত হয় নিহতের সংখ্যা। তারপর ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও এই সংখ্যায় ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছে।

    ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তারপর থেকেই আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী দুই পাকিস্তানি প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও হামলার নাটকীয় উল্লম্ফন ঘটেছে।

    খাইবার পাখতুনখোয়া মূলত পাকিস্তানপন্থি তালেবানগোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) ঘাঁটি অঞ্চল। অন্যদিকে বেলুচিস্তানে ব্যাপকভাবে তৎপর বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। এ দু’টি গোষ্ঠীই পাকিস্তানে নিষিদ্ধ।

    এর আগে এক প্রতিবেদনে ইসলামাবাদভিত্তিক থিংকট্যাংক সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (সিআরএসএস) জানিয়েছিল, বিগত যে কোনো বছরের তুলনায় ২০২৫ সালের ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহিংসতার হার বেড়েছে ৪৬ শতাংশ।

    ইসলামাবাদের অভিযোগ, টিটিপিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং অস্ত্র-রসদের যোগান দিচ্ছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। তবে তালেবান গোষ্ঠী এ অভিযোগ সবসময় প্রত্যাখ্যান করেছে।


    দৈএনকে/ জে,আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন