বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • এশিয়া গেমসে ব্যাটিং ব্যর্থ হলে বাদ পড়তে পারেন নারী দলের ব্যাটিং কোচ ৩ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াচ্ছে ঘরোয়া ক্রিকেট, শুরু এনসিএল দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনর্গঠনে সহায়তার আশ্বাস জার্মান রাষ্ট্রদূতের যে হত্যার রহস্য আজও ঘিরে আছে আমেরিকাকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা বাড়াতে চায় ডেনমার্ক মক্কায় হামলার নিন্দা জানানো নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব: শফিকুর রহমান র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে যাত্রা শুরু এসআরবির অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প : ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকা জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন মৃত্যুর ঘটনায় দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
  • ভূরুঙ্গামারীতে চিরকুটে হত্যার হুমকি, আতঙ্কিত জামাতকর্মীর পরিবার 

    ভূরুঙ্গামারীতে চিরকুটে হত্যার হুমকি, আতঙ্কিত জামাতকর্মীর পরিবার 
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শাহ আলম নামের এক জামায়াত কর্মীর বাসার বারান্দায় হত্যার হুমকি দিয়ে একটি চিরকুট রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চিরকুটে রক্তমাখা একটি পুতুলের ছবি আঁকা এবং ইংরেজিতে ‘I Kill You’ লেখা ছিল। এতে ওই কর্মীর পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

    শনিবার (২০ ডিসেম্বর)  ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বিষয়টি সাংবাদিকদের  নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

    জানা গেছে, হুমকি পাওয়া ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম। তিনি পাথরডুবি ইউনিয়নের পশ্চিম পাথরডুবি গ্রামের মৃত আকবর হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি একটি বেসরকারি মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা পরিচালনার সুবাদে তিনি সরকারি কলেজ রোডে জোবাইদুল ইসলাম দেওয়ানের খামারবাড়ির নিচতলায় ভাড়ায় বসবাস করছেন।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহ আলমের স্ত্রী মমতাজ বেগম বাসার বারান্দায় একটি সাদা কাগজে লেখা ওই চিরকুটটি দেখতে পান। এতে লাল রং দিয়ে ‘I Kill You’ লেখা থাকায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় তারা রাতেই থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি করেন।

    এ বিষয়ে শাহ আলম সাংবাদিকদের  বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে আমি বন্ধুদের সঙ্গে কুড়িগ্রাম ইজতেমায় যাওয়ার পথে ছিলাম। নাগেশ্বরী উপজেলায় পৌঁছালে আমার স্ত্রী ফোন করে চিরকুটের বিষয়টি জানায়। তখনই ইজতেমায় না গিয়ে বাসায় ফিরে আসি। পরে রাতে থানায় জিডি করি। এ ঘটনায় আমার পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে আছে।’

    ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের  বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কে বা কারা এই চিরকুট রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন