শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • সৌদি আরব ও আমিরাতে নেবে ১৫ লাখ কর্মী

    সৌদি আরব ও আমিরাতে নেবে ১৫ লাখ কর্মী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন


    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যাপক প্রসার সত্ত্বেও আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৫ লাখের বেশি কর্মীর চাহিদা তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই তথ্য উঠে এসেছে ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি বৈশ্বিক শ্রমশক্তি সমীক্ষা থেকে।  

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রযুক্তির উন্নতি কিছু ক্ষেত্রে শ্রমের চাহিদা কমাতে পারে। তবে নতুন শিল্প এবং অবকাঠামো প্রকল্পের কারণে দক্ষ শ্রমিকদের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। দুবাইয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বুর্জ খলিফার কাছাকাছি বিভিন্ন খাতে শ্রমিকদের কর্মরত থাকা এই অঞ্চলে শ্রমশক্তির গুরুত্বকে প্রতিফলিত করছে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবসা পরিচালনার ধরণ পরিবর্তন করলেও এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মানবকর্মীর সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস করছে না। বরং এর পরিবর্তে শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা সম্প্রসারণের মতো উভয় দেশেই শ্রমের টেকসই চাহিদাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
     
    সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির কারণে শ্রমশক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরমধ্যে নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটন, উৎপাদন, সরবরাহ এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলে বৃহৎ বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
     
    গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি না হলে, সৌদি আরবের সম্প্রসারণ পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন হতো। সয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বিবেচনা নেয়ার পরও, আগামী বছরগুলোতে দেশটিকে উল্লেখযোগ্য শ্রম ঘাটতির মুখে পড়তে হতে পারে।
     
     
    অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রমশক্তির চাহিদা আরও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোট কর্মীর সংখ্যা ১২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এটিকে দ্রুততম বর্ধনশীল শ্রমবাজারগুলোর মধ্যে একটিতে পরিণত করবে।
     
    প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবকর্মীর এই ১২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত বাজারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে সৌদি আরবের কর্মীর বৃদ্ধি ১১ দশমিক ৬ শতাংশ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিপরীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (২ দশমিক ১), যুক্তরাজ্যের (২ দশমিক ৮ শতাং) মতো প্রধান অর্থনীতিতে এই সম্প্রসারণ অনেক বেশি ধীর।
     
    গবেষণাটি পরিচালনা করেছে সার্ভিসনাউ ও পিয়ারসন। সার্ভিসনাউ হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার কোম্পানি, যা বিভিন্ন দেশের সরকার ও বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ওয়ার্কফ্লো এবং অটোমেশন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। অন্যদিকে পিয়ারসন হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি বৈশ্বিক শিক্ষা কোম্পানি, যা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও শ্রমশক্তি মূল্যায়নে বিশেষ পারদর্শী।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন