বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj

শীতকালে পানিশূন্যতার ঝুঁকি: ৫টি কারণ ও প্রতিকার

শীতকালে পানিশূন্যতার ঝুঁকি: ৫টি কারণ ও প্রতিকার
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

শীতের সময় মানুষ পানির চাহিদা কম অনুভব করেন। কিন্তু শীতকালে পানিশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন) হওয়ার ঝুঁকি কম নয়। শরীরের পানি ঘাটতি অনেক সময় দেখা যায় না, ফলে সমস্যা ধীরে ধীরে বেড়ে যেতে পারে।

শীতে পানিশূন্যতা বাড়ার ৫টি প্রধান কারণ:

তৃষ্ণা কম অনুভূত হয়
ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীর তৃষ্ণার সংকেত কম দেয়। তাই প্রয়োজনের তুলনায় অনেকেই কম পানি পান করেন।

ঘাম হলেও টের পাওয়া যায় না
শীতেও শরীর ঘাম ঝরায়, বিশেষ করে হাঁটাচলা বা কাজের সময়। তবে ঠান্ডায় ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে পানির ক্ষয় বোঝা যায় না।

শুষ্ক বাতাস ও ঠান্ডা হাওয়া
শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকে। এতে ত্বক ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যায়।

গরম পোশাক ও হিটার ব্যবহার
অতিরিক্ত গরম কাপড় বা রুম হিটার ব্যবহারে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে এবং ঘাম হয়। এতে শরীর থেকে পানি দ্রুত ক্ষয় হয়।

চা-কফির মাত্রা বেড়ে যায়
শীতে চা-কফি বেশি খাওয়া হয়। এসব পানীয় মূত্রবর্ধক (diuretic) হওয়ায় শরীর থেকে পানি বের হওয়ার হার বাড়ে।

সতর্কতা ও পরামর্শ:

শীতেও প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

পানি ছাড়া স্যুপ, ফল ও তরল খাবার গ্রহণ করলে ডিহাইড্রেশন এড়ানো সম্ভব।

শীতকালে শরীরের পানি হার বুঝতে ছোট ছোট পানির ঘন্টা ঘন্টা সিপ ব্যবহার করুন।

অতিরিক্ত গরম চা-কফি এবং হিটার ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।

শীতকালে পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা সহজ, শুধু সচেতনতা আর নিয়মিত পানি গ্রহণের অভ্যাসই যথেষ্ট।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন