বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • নিরাপত্তা বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারকে রাখতে নারাজ ইসরায়েল

    নিরাপত্তা বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারকে রাখতে নারাজ ইসরায়েল
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০২৫ সালে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দীর্ঘ সংঘাতের পর এই চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক স্থিতিশীলতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের পর এবার দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করছে উভয় পক্ষ।

    দ্বিতীয় ধাপে গাজা ও আশপাশের অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই বাহিনীতে বিভিন্ন দেশের সেনা সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা রয়েছে, যারা যুদ্ধবিরতির শর্ত বাস্তবায়ন ও শান্তি রক্ষায় ভূমিকা পালন করবে।

    তবে এই বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থ বিবেচনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নেতানিয়াহুর এই ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক ও কাতারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ বাস্তবায়নেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এএফপি ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। 

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজা উপত্যকায়, আমরা ট্রাম্প পরিকল্পনার (যুদ্ধবিরতি) দ্বিতীয় ধাপে রয়েছি। দ্বিতীয় ধাপে হামাস ও গাজাকে নিরস্ত্র করা হবে। সেটা করতে গাজায় তুরস্ক ও কাতার সেনাদের স্থান দেওয়া হবে না।

    তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এই দুই দেশ যুদ্ধপরবর্তী গাজা পরিচালনার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন সংস্থায় ‘কোনও কর্তৃত্ব বা প্রভাব’ রাখা হবে না। 

    নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধের পর তুরস্ক বা কাতারকে গাজায় কোনও অবস্থান তৈরি করতে দেবে না ইসরায়েল। 

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজায় হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে এবং ইরান যদি ইসরায়েলে আক্রমণ করে তবে তাদের কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত করা হবে। 

    উল্লেখ্য, গাজায় কোন কোন দেশ সেনা পাঠাবে সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। যেসব দেশের সেনা আসবে তারা মূলত গাজার সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা এবং নতুন একটি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন