বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • শিশুদের হাম প্রতিরোধে সতর্কতা: লক্ষণ ও প্রতিকার

    শিশুদের হাম প্রতিরোধে সতর্কতা: লক্ষণ ও প্রতিকার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নিলে এটি নিউমোনিয়া বা মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিল আকার ধারণ করতে পারে। বর্তমানে ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শিশুদের মাঝে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় অভিভাবকদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ।

    হামের সাধারণ লক্ষণসমূহ

    • তীব্র জ্বর এবং শরীর ম্যাজমেজে ভাব।

    • নাক দিয়ে পানি পড়া এবং শুকনো কাশি।

    • চোখ লাল হওয়া এবং অনবরত পানি পড়া।

    • গালের ভেতরের দিকে সাদাটে দাগ (কপ্লিক স্পট)।

    • জ্বরের ৩-৪ দিন পর মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ ওঠা।


    প্রতিরোধে যা করবেন 

    ১. টিকাদান (সর্বোত্তম উপায়): শিশুকে নির্দিষ্ট সময়ে হামের টিকা (MR Vaccine) দেওয়া নিশ্চিত করুন। সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে সাধারণত ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ টিকা দেওয়া হয়।

    ২. আক্রান্ত শিশু থেকে দূরত্ব: হাম অত্যন্ত সংক্রামক। তাই আক্রান্ত শিশু থেকে সুস্থ শিশুদের আলাদা রাখুন।

    ৩. পরিচ্ছন্নতা: শিশুর হাত ধোয়ার অভ্যাস করানো এবং ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

    ৪. ভিটামিন-এ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল সেবন হামের জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।


    আক্রান্ত হলে করণীয় 

    • বিশ্রাম ও তরল খাবার: শিশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের রস ও বুকের দুধ (শিশুর বয়স অনুযায়ী) পান করান।

    • জ্বর নিয়ন্ত্রণ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিন। তবে কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।

    • পুষ্টিকর খাবার: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পাতলা খিচুড়ি, সবজি বা স্যুপ জাতীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান।

    • চোখ ও ত্বকের যত্ন: ঈষদুষ্ণ পানি দিয়ে শিশুর চোখ এবং শরীর আলতো করে মুছে দিতে পারেন।

    সতর্কতা: যদি শিশুর শ্বাসকষ্ট হয়, প্রস্রাব কমে যায় কিংবা শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়ে, তবে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ