বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • কলা ও ওটস: শিশুর শরীর শান্ত রাখতে জাদুকরী ভূমিকা

    কলা ও ওটস: শিশুর শরীর শান্ত রাখতে জাদুকরী ভূমিকা
    এ আই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শিশুর নিরবচ্ছিন্ন ঘুম কেবল তার মেজাজ ফুরফুরে রাখে না, বরং তার শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিক খাবার শিশুর শরীরকে শান্ত রাখতে এবং দ্রুত ঘুমে সাহায্য করতে পারে। তবে শিশুর বয়স অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ ঠিক রাখা জরুরি।

    যেসব খাবার শিশুকে দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে

    শিশুর রাতের খাদ্যতালিকায় নিচের খাবারগুলো রাখা যেতে পারে:

    • কুসুম গরম দুধ: ঘুমের আগে অল্প গরম দুধ শিশুকে আরাম দেয়। এতে থাকা ‘ট্রিপটোফ্যান’ নামক উপাদান গভীর ঘুমে সহায়ক।

    • কলা: কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম শরীরের পেশিকে শিথিল বা রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে।

    • সহজপাচ্য শর্করা: ওটস, সুজি বা হালকা খিচুড়ি রাতে সহজে হজম হয় এবং শিশুর পেট ভরা রাখে, ফলে ঘুমের মাঝে ক্ষুধার কারণে শিশু জেগে ওঠে না।

    • ভাত ও ডাল: রাতে অল্প গরম ভাত ও ডাল শিশুর পেট আরামদায়ক রাখে।

    • মিষ্টি আলু: এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরকে শান্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে।

    • বাদাম ও দই: বাদাম পেস্ট (বয়স উপযোগী হলে) ম্যাগনেসিয়ামের যোগান দেয় এবং টকহীন দই হজমে সহায়তা করে। তবে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা থাকলে রাতে দই এড়িয়ে চলাই ভালো।

    রাতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

    কিছু খাবার শিশুর স্নায়ুকে উত্তেজিত করে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়:

    • চকলেট ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার।

    • কোমল পানীয়।

    • খুব ঝাল বা ভাজাপোড়া তেলযুক্ত খাবার।

    ভালো ঘুমের জন্য জরুরি রুটিন

    কেবল খাবার নয়, একটি স্বাস্থ্যকর রুটিনও শিশুর ঘুমের জন্য সহায়ক:

    ১. সময় নির্ধারণ: রাতের খাবার অন্তত ঘুমের এক ঘণ্টা আগে দিন।

    ২. স্ক্রিন টাইম বর্জন: ঘুমের আগে মোবাইল বা টিভির নীল আলো থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।

    ৩. অভ্যাস গঠন: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করলে শিশুর শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (Biological Clock) সঠিকভাবে কাজ করে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ