বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি: ঝুঁকিতে পড়ছে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি: ঝুঁকিতে পড়ছে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা শিশুদের অবসর সময়ের বড় অংশ দখল করে নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ ও সমাজবিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, নিয়মিত এবং অনিয়ন্ত্রিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলছে। এটি কেবল তাদের চোখের ক্ষতিই করছে না, বরং তাদের সামাজিক দক্ষতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    মানসিক স্বাস্থ্য ও আচরণগত পরিবর্তন

    গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে শিশুদের মাঝে একাকীত্ব ও বিষণ্নতা বাড়ছে। অন্যের কৃত্রিম জীবনযাত্রার সাথে নিজের জীবনের তুলনা করতে গিয়ে তারা হীনম্মন্যতায় ভুগছে। এর ফলে অনেক শিশুর মধ্যে মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মনোযোগের অভাব এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    সামাজিক দক্ষতার ঘাটতি

    ভার্চুয়াল জগতে হাজারো 'বন্ধু' থাকলেও বাস্তব জীবনে অন্যদের সাথে মিশতে বা কথা বলতে অনেক শিশু জড়তা অনুভব করছে। সরাসরি আড্ডা বা খেলাধুলার পরিবর্তে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা তাদের সমানুভূতি (Empathy) এবং সামাজিক শিষ্টাচার শেখার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    শারীরিক সমস্যা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা

    অল্প বয়সে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়ায় শিশুদের মাঝে স্থূলতা বা মেদবৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ছে। এছাড়া সাইবার বুলিং বা অনাকাঙ্ক্ষিত কন্টেন্টের সংস্পর্শে আসার ফলে তাদের নৈতিক ও চারিত্রিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। স্ক্রিন টাইমের চেয়ে মাঠের খেলাধুলা এবং সৃজনশীল কাজে তাদের উৎসাহিত করাই হবে এখনকার প্রধান চ্যালেঞ্জ।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ