বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রামসু বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-০ গোলে হার বাংলাদেশের বিএফআইইউর কাছে আসিফ মাহমুদের দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চেয়েছে দুদক ‘ফেরিটিন ফেস’ কি সত্যিই রোগ? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা ব্রিকস সম্মেলন থেকে ফিরে অসুস্থত শি জিনপিং ও রামাফোসা ১৬ বছর বয়সেই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার অপেক্ষায় কাভান সুলিভান মায়ের ছুরিকাঘাতে শিশুর মৃত্যু, আরেক সন্তান আহত নির্বাচনী বিধিমালা সংশোধন, নৌকা প্রতীক স্থগিত, থাকছে না ভোট নেপালের বন্যায় ১০ লাখ ডলার সহায়তা, তারেক রহমানকে ধন্যবাদ বালেন্দ্র শাহর পুলিশের শীর্ষ ও রেঞ্জ পর্যায়ে বড় রদবদল
  • জনগণের জন্য কাজ করতেই এমপিরা সংসদে- নিজস্ব স্বার্থ নয়

    জনগণের জন্য কাজ করতেই এমপিরা সংসদে- নিজস্ব স্বার্থ নয়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সম্প্রতি জাতীয় সংসদে এনসিপি নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপিদের জন্য ব্যক্তিগত গাড়ির সুবিধা চেয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ ধরনের দাবি ওঠায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি সংসদ সদস্যদের এই অবস্থানের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যখন শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও সরকারি কর্মচারীরা ন্যায্য দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করেও সমাধান পান না, তখন সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়ে সিদ্ধান্ত দ্রুততম সময়ে হয়ে যায়—যা জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।

    তাসনিম জারা আরও উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা জনগণের করের অর্থ থেকে দেওয়া হয়, তাই এটি নির্ধারণে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা থাকা উচিত। তার মতে, বিশ্বের কোনো দায়িত্বশীল পেশার মানুষ নিজের বেতন বা সুবিধা নিজেরাই নির্ধারণ করে না; এমপিদের ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করা উচিত।

    তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে নির্বাচিত হয়েছেন, নিজেদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নয়। কিন্তু বাস্তবে জনগণের মৌলিক সমস্যার চেয়ে ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    এ অবস্থার সমাধানে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি। ওই কমিটি অন্যান্য পেশার সঙ্গে তুলনা করে এমপিদের দায়িত্ব, ঝুঁকি ও কাজের পরিমাণ বিবেচনা করে যৌক্তিক বেতন-ভাতা ও সুবিধা নির্ধারণ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি আরও বলেন, কিছু বিদ্যমান সুবিধা সময়ের সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়তে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবতার আলোকে নতুন সুবিধার প্রয়োজনও হতে পারে। তাই সবকিছুই নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়নের মাধ্যমে ঠিক করা উচিত।

    কমিটির গঠন নিয়েও তিনি মত দেন, যেখানে অর্থনীতিবিদ, প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞ, বিচার বিভাগীয় ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি শিক্ষক, নার্স ও সাধারণ নাগরিকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে—যাতে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।

    সবশেষে তিনি এমপিদের প্রতি আহ্বান জানান, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিজেদের হাতে না রেখে স্বচ্ছ ও স্বাধীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করা উচিত, যা তাদের মর্যাদা ও জনআস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন