বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ওয়ানডেতে থাকছেন, টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ছেন নিগার গুলশানে আ’লীগের মিছিলের তথ্য ছিল, তবে সময়টা আন্দাজ করতে পারেনি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৩ বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে মানুষের গল্প, লোডশেডিং নিয়ে আলোচিত সিনেমা বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসিফ নজরুলের ভূমিকা, সম্মতি ছিল বিসিবিরও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও পরিবারের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা চবি আলাওল হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি, কক্ষে তালা নতুন ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সফল হওয়ার প্রত্যয় ছাত্রদল সভাপতির মক্কায় সম্ভাব্য হামলার বিরল সতর্কতা, হুথি-সৌদি উত্তেজনা তুঙ্গে
  • ৬ মাস থেকে ২ বছর

    শিশুর সঠিক পুষ্টি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য তালিকা

    শিশুর সঠিক পুষ্টি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য তালিকা
    এ আই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জন্মের প্রথম ৬ মাস শিশুর জন্য শুধুমাত্র মায়ের দুধই যথেষ্ট। তবে ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর থেকে শিশুর দ্রুত বর্ধনশীল শরীরের চাহিদা মেটাতে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন হয়। এই সময়ে খাবারের গুণগত মান, গঠন এবং খাওয়ানোর নিয়ম শিশুর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। পুষ্টিবিদদের মতে, শিশুর খাবার হতে হবে নরম, সহজপাচ্য এবং সুষম পুষ্টিতে ভরপুর।

    বয়স অনুযায়ী শিশুর খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত, তার একটি রূপরেখা নিচে তুলে ধরা হলো:

    ৬–৮ মাস: শুরুর প্রস্তুতি

    এই সময়ে শিশুকে দিনে ২-৩ বার অল্প পরিমাণে খাবার দেওয়া উচিত। খাবারের তালিকায় থাকতে পারে:

    • নরম ভাত মাখা (ভাত ও ডাল)।

    • সেদ্ধ করা আলু, মিষ্টি কুমড়া বা পেঁপে ভর্তা।

    • চটকানো কলা বা সেদ্ধ করে চটকানো আপেল ও নাশপাতি।

    • পাতলা খিচুড়ি এবং ডিমের সেদ্ধ কুসুম।

    ৯–১২ মাস: গঠন ও বৈচিত্র্য

    এই বয়সে খাবারের পরিমাণ এবং ঘনত্ব কিছুটা বাড়িয়ে দিনে ৩-৪ বার খাবার এবং মাঝে ১-২ বার হালকা নাস্তা দেওয়া যেতে পারে।

    • সবজি, ডাল ও সামান্য তেল দিয়ে তৈরি ঘন খিচুড়ি।

    • পুরো ডিম (ভালোভাবে সেদ্ধ)।

    • মুরগির মাংস বা মাছের কাঁটাছাড়া নরম অংশ।

    • দই এবং দুধে ভেজানো রুটি।

    ১ বছর ও তদুর্ধ্ব: পরিবারের স্বাভাবিক খাবার

    ১ বছর পূর্ণ হলে শিশু পরিবারের সবার সাথে নিয়মিত খাবার খাওয়ার উপযোগী হয়। ভাত, মাছ, মাংস, সবজি ও ডাল একটু নরম করে তাকে অভ্যাস করাতে হবে। পাশাপাশি ফলমূল এবং স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসেবে চিড়া বা মুড়ি দেওয়া যেতে পারে।


    অভিভাবকদের জন্য বিশেষ পরামর্শ:

    • লবণ ও চিনির নিয়ন্ত্রণ: শিশুর খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও চিনি এড়িয়ে চলুন। ১ বছরের আগে শিশুকে মধু না দেওয়াই শ্রেয়।

    • অ্যালার্জি পর্যবেক্ষণ: যেকোনো নতুন খাবার একবারে একটি করে শুরু করুন এবং ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন শিশুর কোনো অ্যালার্জি হচ্ছে কি না।

    • ধৈর্যশীল আচরণ: শিশুকে জোর করে না খাইয়ে আনন্দের সাথে খাওয়ার পরিবেশ তৈরি করুন।

    • পরিচ্ছন্নতা: খাবার তৈরি ও খাওয়ানোর আগে হাত এবং বাসনপত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।

    শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য খাবারে সামান্য পরিমাণ ঘি বা তেল যোগ করা অত্যন্ত উপকারী। সঠিক সময়ে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করলে শিশু বড় হয়ে উঠবে মেধাবী ও রোগমুক্ত।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ