বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভাঙারির ঘর থেকে ৮০০ কেজি সরকারি বই উদ্ধার ডিএমপির অভিযানে ৫৪৬ জন গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার সাংবাদিকরা আছেন বলেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ডাকাতির মামলায় কিম কার্দাশিয়ান পেলেন ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টসহ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা বাড়ল আগামী মাসে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঢাকায় আকাশ মেঘলা, পার্শ্ববর্তী এলাকায়ও বজ্রসহ  বৃষ্টির সম্ভাবনা রাসায়নিক সার-কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মক্কায় ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পরই গ্যাস সরবরাহে উন্নতি: মাহদী আমিন
  • প্রীতি ম্যাচে খেললেও বাছাইয়ে মাঠে নামেননি জামাল ভূঁইয়া

    প্রীতি ম্যাচে খেললেও বাছাইয়ে মাঠে নামেননি জামাল ভূঁইয়া
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জামাল ভূঁইয়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক হলেও চলমান এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের মূল কোনো ম্যাচে এখনও মাঠে নামেননি। ২৫ মার্চ শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষে এবং ১০ জুন ঢাকায় সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি পুরো সময় সাইডলাইনে অপেক্ষমাণ ছিলেন। তবে প্রীতি ম্যাচে ভুটান ও নেপালের বিপক্ষে কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা তাকে খেলিয়েছেন।

    প্রতিটি ক্যাম্প শুরুর পর এই প্রশ্ন শুনতে হয় জামালকে, ‘আপনি খেলতে পারবে না তো?’ এই প্রশ্নের উত্তর জমাই থাকে জামালের ঠোঁটে, ‘এটা পুরোপুরি কোচের বিষয়।’ এই যেমন হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচের ক্যাম্প শুরুর পর সোমবার সন্ধ্যায় এমই প্রশ্ন গণমাধ্যম থেকে শুনতে হয়েছে তাকে। উত্তর অপরিবর্তিত।

    তবে এবার অধিনায়ক হিসেবে খেলতে না পারার বিষয় কথা বলতে গিয়ে নিজের ভেতরের কষ্ট গোপন করতে পারলেন না ডেনমার্ক প্রবাসী এই মিডফিল্ডার। অধিনায়ক হিসেবে গণমাধ্যমে কথা বলেন, ম্যাচে দেখা যায় আপনি নেই, অন্য কেউ অধিনায়ক। বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন? জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘সত্যি কথা এটা আমারও খারাপ লাগে। কারণ, আমি এখানে এসেছি খেলতে। তাই আমি খেলতে চাই। শেষ ম্যাচটা (সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে) খেলতে পারিনি। টিমও হেরেছে। ওই দিন খুব খারাপ লেগেছে।’

    আরেকটি মিশনের ক্যাম্প শুরুর পর জামাল ভূঁইয়া বলেছেন, ‘সবাই ভালো আছেন। সবাই প্রস্তুত আছেন বলেও মনে করি। কারণ, লিগের খেলা শুরু হয়েছে। আমাদের পরের ম্যাচ ডু অর ডাই। আমরা যদি এ ম্যাচ হারি, তাহলে কোয়ালিফাই করা কঠিন হবে। ৯ অক্টোবর হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচ। আমি মনে করি, এ ম্যাচটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

    এই ম্যাচের সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। টিকিটের অনেক চাহিদা। তা অবশ্য জানা নেই জামালের। টিকিট সোল্ড আউট শুনেই অধিনায়কের কণ্ঠে বিস্ময়, ‘বলেন কি, তাই নাকি? আমি কিভাবে জানবো? তবে এটা একটা ইতিবাচক বিষয়। মানুষ জাতীয় দলের খেলা দেখতে চায়। এটা অবশ্যই ইতিবাচক দিক। আমি আশা করি ভালো পারফম্যান্স। কারণ, দর্শকরা টাকা খরচ করে গ্যালারিতে আসবেন। আমাদেরও তাদেরকে কিছু দিতে হবে। তাই ৩ পয়েন্ট পাওয়াই থাকবে লক্ষ্য। ৩ পয়েন্ট ঝুলিতে পুরেই যেন হংকং যেতে পারি।’

    ঘরের মাঠে আরেকটি ম্যাচ। হংকংয়ের বিপক্ষে জিততে পারবেন কিনা? জানতে চাইলে জামাল বলেন, ‘এটা আমাদের হোম ম্যাচ। আমাদের একটা সুবিধা থাকবে। ফুটবল এমন খেলা ওই দিনে যে দল রেডি থাকবে, সে দল জিতবে। আর যারা রেডি না থাকবে, তাদের কঠিন কাজ করতে হবে। হংকং খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। তারা গ্রুপের শীর্ষে আছে। তাই আমাদের সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে। ওই দিনের জন্য আমরা প্রস্তুত না থাকি, তাহলে আমাদের জন্য কঠিনই হবে।’

    বাংলাদেশ কেন জিততে পারে না। সমস্যা কি? জবাবে জামাল বলেছেন, ‘যারা ফুটবল ফলো করে তারা সব জানে। আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে পোস্টের সামনে গোল করতে পারি না এবং শেষ মিনিটে গোল খাওয়া। তবে যারা সামনে খেলে, তারা চেষ্টা করে। সবাই চান একজন ভালো স্ট্রাইকার। কিন্তু তবে আমার কাছে এটা বিষয় না যে, কে গোল করবে। হতে পারে মিডফিল্ডার, হতে পারে ডিফেন্ডার, হতে পারে স্ট্রাইকার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ৩ পয়েন্ট।’

    আপনার এক যুগের ক্যারিয়ার বাংলাদেশে। এ পর্যায়ে এসে কী মনে হয় নিজেকে নিয়ে? ‘আসলে আমি নিজেও সেটা অনুভব করছি। এখন যে কোনো জায়গায় যাই, একটু চাপ অনুভব করি। কারণ, সবাই আমাকে বলে-ভাই পরের ম্যাচ জিততে হবে। পরের ম্যাচে এরকম খেলতে হবে। পরের ম্যাচে এই খেলোয়াড়কে রাখতে হবে। ও্ই খেলোয়াড় রাখতে হবে, এমন। আমি বুঝতে পারি সবার এখন ফুটবল নিয়ে জ্ঞান আছে। আমি যখন প্রথমে আসছিলাম, তখন মানুষের ফুটবল নিয়ে এতটা ক্রেজি ছিল না। এখন যা দেখছি এটা পজিটিভ। আমিও চাই এটা দর্শকদের মধ্যে থাকতে হবে’-বলেছেন জামাল।

    আরেকজন প্রবাসী ফুটবলার জায়ান আহমেদ জাতীয় দলের প্রাথমিক তালিকায় যোগ হয়েছেন। তাকে নিয়ে কী বলবেন? জামাল বলেন, ‘ওর কথা শুনেছিলাম। এখন দেখেছি। সে অনূর্ধ্ব-২৩ দলে ভালো পারফরম্যান্স করেছে। তাই কোচ জাতীয় দলে ডেকেছেন। আমি তার জন্য খুবই খুশি। কারণ, উনিও বাইরে থাকেন। এ মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসের সাথে যুক্ত হয়েছেন। আমি খুশি এ কারণে যে, বাংলাদেশে এসে শুরুতে পারফর্ম করা সহজ ছিল না। বাইরের থেকে যারা যোগ হয়েছেন তারাও ভালো খেলবেন। তবে কেবল তাদের বিষয় না। পুরো স্কোয়াডের বিষয়। পুরো দল ভালো করতে পারলে আমাদের ভালো সুযোগ থাকবে।’


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন