শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হামের চিকিৎসায় মহাখালী হাসপাতাল, নেই পিআইসিইউ-এনআইসিইউ; সংকটে সেবাব্যবস্থা হামজা-শামিতসহ ৯ প্রবাসী, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের ২৩ সদস্যের দল পাকিস্তানে মসজিদের গেটে গাড়িবোমা, নিহত ১৬ ‘না’ ভোট না দেওয়ায় একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পাশে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ডাসারে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি খোকন যাত্রাবিরতিতে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরে স্বাগত কারাগারের বদলে বাড়িতেই সাজা ভোগ করবেন নাজিব রাজাক চ্যাটবটকে যা বলবেন না, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় থাকুন সতর্ক সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক
  • ভোটের আগে ও পরে ৭ দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    ভোটের আগে ও পরে ৭ দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে এবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হবে ৭ দিনের জন্য।

    নির্বাচন সংক্রান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের প্রাক্কালে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।

    এটি নির্বাচনকে নিরাপদ, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকার কর্তৃক নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মোতায়েনকৃত বাহিনী ভোটারদের নিরাপত্তা, ভোটকেন্দ্র সুরক্ষা এবং সম্ভাব্য সহিংসতা প্রতিরোধে দায়িত্বে থাকবেন।

    নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই মোতায়েন স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়ে নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।

    এছাড়া তারা আরও জানিয়েছেন, ভোট কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে সচেতন নাগরিকতা, আইন মেনে চলা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সকলের দায়িত্ব।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়, ভোটের চার দিন আগে, ভোটের দিন ও ভোটের পরে দুদিন ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী থাকবে।

    এবারের নির্বাচনে ভোটার রয়েছেন পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে দুই লাখ ৬০ হাজারের মতো ভোটকক্ষ থাকবে।

    প্রাথমিক সভায় প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য এবার ভোটের নিরাপত্তায় দায়িত্বে পালন করবেন।

    ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সংখ্যাই হবে সাড়ে ৫ লাখের মতো। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। এ ছাড়া পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড থাকবে।

    গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের তফসিল ঘোষণা করেন।

    এরপর দুটি নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সিইসি, ইসি, সচিবসহ রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিস, নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।

    তফসিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিলের পর বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। এরপরই ‘আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এ পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন