শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হামের চিকিৎসায় মহাখালী হাসপাতাল, নেই পিআইসিইউ-এনআইসিইউ; সংকটে সেবাব্যবস্থা হামজা-শামিতসহ ৯ প্রবাসী, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের ২৩ সদস্যের দল পাকিস্তানে মসজিদের গেটে গাড়িবোমা, নিহত ১৬ ‘না’ ভোট না দেওয়ায় একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পাশে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ডাসারে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি খোকন যাত্রাবিরতিতে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরে স্বাগত কারাগারের বদলে বাড়িতেই সাজা ভোগ করবেন নাজিব রাজাক চ্যাটবটকে যা বলবেন না, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় থাকুন সতর্ক সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক
  • গাছের ক্ষতি ঠেকাতে নতুন আইন, পেরেক ঠোকায় সর্বোচ্চ জরিমানা ২০ হাজার

    গাছের ক্ষতি ঠেকাতে নতুন আইন, পেরেক ঠোকায় সর্বোচ্চ জরিমানা ২০ হাজার
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাষ্ট্রপতি সম্প্রতি ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন, যার মধ্যে নতুন করে গাছের ক্ষতির বিরুদ্ধে কঠিন বিধান রাখা হয়েছে।

    এবার থেকে গাছে পেরেক ঠোকা, আঁচড়ানো বা **অন্যান্য কোনো ধাতব বস্তু দিয়ে গাছের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকার জরিমানার বিধান থাকবে। এই নিয়ম পরিবেশ ও বৃক্ষ রক্ষায় কার্যকর একজন অনুসারী আইন হিসেবে বিবেচিত হবে।

    এ সংক্রান্ত গেজেট মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে প্রকাশিত হয়। গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এখন থেকে এই অধ্যাদেশটি আইনি কার্যকারিতা পাবে।

    সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, গাছ ও বনসম্পদ রক্ষায় এই অধ্যাদেশ জরিমানার বিধানসহ শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ-সচেতনতা আরও বৃদ্ধি করবে।

    ভূমি মালিক, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ যদি সচেতনভাবে গাছের ক্ষতি করেন, তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ আইন অনুসারে জরিমানা বা অন্যান্য বিধান কার্যকর করবে।

    এই অধ্যাদেশ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, বায়ু গুণমান উন্নয়ন এবং গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে সামাজিক মনোযোগ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।

    অধ্যাদেশে বলা হয়, বাণিজ্যিক উৎপাদনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো কারণে গাছে পেরেক বা ধাতব বস্তু ব্যবহার করে ক্ষতি করা যাবে না। এ বিধান অমান্য করলে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন।

    এতে আরো বলা হয়, বন সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে ‘বন আইন, ১৯২৭’-এর ৪ ও ৬ ধারার আওতাভুক্ত গেজেটভুক্ত বন, অশ্রেণিভুক্ত রাষ্ট্রীয় বন, সামাজিক বন এবং সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন গণপরিসরের গাছ কর্তন বা অপসারণ করা যাবে। এ অধ্যাদেশ কার্যকর করতে প্রধান বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার দায়িত্ব প্রদান করবেন।

    গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিষিদ্ধঘোষিত অথবা বন অধিদপ্তর কর্তৃক বিপদাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত কোনো গাছ কর্তনের সুযোগ রাখা হয়নি। তবে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অবস্থিত কর্তনযোগ্য গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

    এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে গাছের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক উচ্চতা, বুক সমান উচ্চতায় বেড়ের পরিমাপ এবং কর্তনের কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের পর আবেদন জমা দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

    এ ছাড়া অধ্যাদেশে অবৈধভাবে গাছ কাটার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন