বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৭৫৩ আনিসুল হকসহ চারজনের ১৭২ কোটি টাকার সম্পদ, চার্জশিট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু বুড়ো বলায় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে মাটিতে ফেললেন রোনালদো পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা তালাবদ্ধ কমিউনিটি ক্লিনিক, দেওয়াল টপকে ভেতরে গেলেন এমপি অসদাচরণের অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকায় ১২ প্রকল্প অনুমোদন অপরাধের ধরন বদলালে আইনও পরিবর্তন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • সিলেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

    সিলেটে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে যোগ হলো নতুন এক গৌরবগাঁথা। মিরপুর টেস্টের পর সিলেটেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এর মধ্য দিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে এই প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

    চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে ছিল। তবে পঞ্চম দিনের সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খানের দৃঢ় ব্যাটিং কিছুটা শঙ্কা তৈরি করেছিল। ধীরে ধীরে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল পাকিস্তানও। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আবারও দলের ভরসা হয়ে ওঠেন তাইজুল ইসলাম।

    দিনের শুরুতেই রিজওয়ানের ক্যাচ হাতছাড়া করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের রান বাড়াতে থাকেন রিজওয়ান ও সাজিদ। তবে জুটিটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। সাজিদ খানকে আউট করে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। ৩৬ বলে ২৮ রান করে সাজিদ বিদায় নিলে ম্যাচ আবার বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

    এরপর শতকের খুব কাছে পৌঁছেও সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি মোহাম্মদ রিজওয়ানের। শরিফুল ইসলামের বলে মিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৯৪ রানে থামেন পাকিস্তানের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। তার ১৬৬ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চার। পরে খুররাম শেহজাদকে শূন্য রানে ফিরিয়ে পাকিস্তানের শেষ আশা শেষ করে দেন তাইজুল।

    বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাইজুল ইসলাম। ৩৪.২ ওভারে ১২০ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করেন তিনি। এছাড়া নাহিদ রানা নেন দুটি উইকেট। শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ পান একটি করে উইকেট।

    এর আগে ম্যাচে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ তোলে ২৭৮ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ২৩২ রানে। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৩৯০ রান। ফলে পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।

    জবাবে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানেই থেমে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। আর তাতেই ঐতিহাসিক জয় আর সিরিজ হোয়াইটওয়াশের উল্লাসে মাতে বাংলাদেশ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন