এফ-৩৫ ও এফ-১৫ শিকার হওয়ার সময় শুরু হয়েছে: ইরানি স্পিকার

মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল ড্যান কেইনের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কায়ালিবাফ। মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরিস্থিতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
পার্স টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন মার্কিন সেনাবাহিনীর আয়োজিত ‘এয়ার, স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে’ বক্তব্য দেন।
সেখানে তিনি বলেন, “এখন থেকে আমাদের ধরে নিতে হবে যে, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের সামরিক গঠন ও ইউনিটগুলোকে শিকার করা হবে, তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালিজুড়ে আমাদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো হবে এবং বাস্তব সময়ে আমাদের অবস্থান শনাক্ত করা হবে।”
জেনারেল কেইনের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অ্যাকাউন্টে কায়ালিবাফ লেখেন, “যে সময় আপনাদের এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান শিকার করা হবে এবং সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর জানাতে হবে, সেই সময় ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।”
তিনি আরও লেখেন, “যা একসময় নিছক দুঃস্বপ্নের মতো মনে হতো, এখন সেটিই প্রতিদিনের বাস্তবতা। এর সঙ্গেই আপনাদের বাঁচতে হবে।”
কায়ালিবাফের এই বক্তব্যে মূলত আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ও চালকবিহীন প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত এফ-৩৫ ও এফ-১৫ যুদ্ধবিমান নিয়েও তিনি সরাসরি মন্তব্য করেছেন।
জেনারেল কেইনের বক্তব্যেও ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, তড়িৎচুম্বকীয় যুদ্ধ এবং তাৎক্ষণিক নজরদারির ঝুঁকির বিষয়টি উঠে আসে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সামরিক ইউনিটগুলোকে এমন একটি যুদ্ধপরিবেশের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের শনাক্ত, অনুসরণ ও আক্রমণ করা সম্ভব হবে।