বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা বাড়াতে চায় ডেনমার্ক মক্কায় হামলার নিন্দা জানানো নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব: শফিকুর রহমান র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে যাত্রা শুরু এসআরবির অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প : ব্যয় আড়াই লাখ কোটি টাকা জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন মৃত্যুর ঘটনায় দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নয় মাসে খেলাপি ঋণ কমেছে প্রায় ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট ১৩ সিটি কর্পোরেশনে স্বাস্থ্যসেবায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা
  • দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আবারও ইংলিশ চ্যানেলে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

    দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আবারও ইংলিশ চ্যানেলে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন বহু সাঁতারুর মনেই বাস করে। সেই সাহসিক অভিযানে এবার নামতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের দুই সাঁতারু—মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল। আটলান্টিক মহাসাগরের এই ঐতিহাসিক জলপথ অতিক্রম করার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৭ জুলাই যুক্তরাজ্যে রওনা দেবেন তারা।

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার আগে তারা ব্রিটেনে গিয়ে অন্তত ১০ দিন নিবিড় প্রস্তুতি ও অনুশীলন করবেন, যাতে নিজেদের মানসিক ও শারীরিকভাবে অভিযানের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন।

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার মতো দুঃসাহসিক অভিযানে নামছেন বাংলাদেশের দুই সাঁতারু—মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল। মঙ্গলবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ৩৭তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতারের সংবাদ সম্মেলনে এই খবরটি জানান বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাহীন।

    এর আগে মাত্র তিনজন বাংলাদেশি সাঁতারু ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন। ইতিহাস গড়েছিলেন ব্রজেন দাস, যিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ছয়বার চ্যানেলটি অতিক্রম করেছিলেন এবং তখনকার দ্রুততম সময়ে পার হওয়ার রেকর্ডও গড়েছিলেন। এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন এই জলপথ পার হন।

    দুই বারের অলিম্পিয়ান সাগর দীর্ঘদিন ধরেই ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার সময়স্লট খুঁজছিলেন। সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন প্রবাসী সাঁতারু নাজমুল হক হিমেলকে, যিনি বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন। হিমেল এই সুযোগ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “প্রায় ৩৭ বছর পর আমরা দু’জন বাংলাদেশি সাঁতারু আবার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে যাচ্ছি। এটা নিঃসন্দেহে একটি গর্বের বিষয় এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।”

    এই অভিযানে রয়েছে অনেক ঝুঁকি। সেখানকার পানিতে জেলিফিশের উপস্থিতি এবং ১৫ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সাঁতারুদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে হিমেল জানিয়েছেন, “চীনে আমি ১৯ ডিগ্রিতে সাঁতার কেটেছি। খুব একটা সমস্যা হয়নি। তবে ১৫ ডিগ্রি হলে সেটা অবশ্যই কঠিন হবে।”

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে একজন সাঁতারুর প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয়। তবে বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশন থেকে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    মূলত ২০২৮ সালের আগ পর্যন্ত কোনো স্লট না পেলেও, কলকাতার দুই সাঁতারুর সহায়তায় এবারই সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী ৭ জুলাই যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন সাগর ও হিমেল। সেখানে গিয়ে অন্তত ১০ দিন নিবিড়ভাবে অনুশীলন করবেন, এরপর নামবেন চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার সেই রোমাঞ্চকর অভিযানে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ